| ২৬ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

নালিতাবাড়ীতে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলেন সেলুন ব্যবসায়ী

নালিতাবাড়ীতে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলেন সেলুন ব্যবসায়ী

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক সেলুন ব্যবসায়ী স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে মো. নাসির হোসাইন।

 

রবিবার (২৫ অক্টোবর) নালিতাবাড়ী উপজেলার পৌরশহরের আড়াইআনী বাজারের মার্কাজ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. ওবায়দুল হক তাকে কালিমা পাঠ করান। ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী ওই ব্যক্তির আগের নাম শ্রী গনেশ। আড়াইআনী বাজারে ‘তিথি হেয়ার ড্রেসার’ নামে তার একটি সেলুনের দোকান রয়েছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নিজের ফেসবুক আইডির নামও পরিবর্তন করেছেন তিনি। আগে তার ফেসবুক আইডির নাম ছিল ‘শ্রী গণেশ’। বর্তমানে সেখানে নাম পরিবর্তন করে ‘মো. নাসির হোসাইন’ রেখেছেন।

 

নওমুসলিম মো. নাসির হোসাইন ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কারণ সম্পর্কে বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য, বইপড়ে ও ওয়াজ শুনে আমি আকৃষ্ট হই। এরপর আমার কাছে মনে হয়েছে, একমাত্র ইসলাম ধর্মই সত্য ও সুন্দর। তাই আমি স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। আমি একজন মুসলমান হিসেবে সকল মুসলিম ভাইদের সার্বিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

গলাচিপায় লক্ষ্মীপূজায় আতশবাজির বিস্ফোরণে কিশোরের পাঁচ আঙুল বিচ্ছিন্ন

নালিতাবাড়ীতে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলেন সেলুন ব্যবসায়ী

পটুয়াখালীর গলাচিপায় লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণে অমিত হাজারি (১৮) নামে এক কিশোরের হাতের পাঁচটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে তাঁর হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহতের হাতটি রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসক।

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাবাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত অমিত ওই গ্রামের অর্জুন হাজারির ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আনন্দ-উল্লাসের একপর্যায়ে আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন অমিত। পরে স্থানীয়রা তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) পাঠানো হয়।

 

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “আহত অমিতের হাতে ডিগ্লোভিং ইনজুরি (ত্বক ও নরম টিস্যু মারাত্মকভাবে উঠে যাওয়া) হয়েছে। বোমা বিস্ফোরণে তাঁর হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাতটি রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে।”

 

এ বিষয়ে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আনন্দ-উল্লাস করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। বিষয়টি আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

বগুড়ায় ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

নালিতাবাড়ীতে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলেন সেলুন ব্যবসায়ী

বগুড়ার শাজাহানপুরে ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে অভিনব কৌশলে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে স্বামী ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি মোবাইল ফোন ও ইয়াবা লুকানোর কাজে ব্যবহৃত দুটি অ্যাংলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে এ অভিযান চালানো হয়।

 

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোছা. সারমিন খানম (২৫) ও তাঁর স্বামী সোহাগ মৃধা (৩১)। তাঁদের স্থায়ী বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়। তাঁরা বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায় বসবাস করতেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলায় তাঁদের অভিযুক্ত থাকার তথ্যও জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থা।

 

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী কোচে তল্লাশি চালানো হয়। বাসটির ঢাকা মেট্রো-ব-১২-১২৯৫ নম্বরের নিবন্ধন রয়েছে। কোচের এফ-১ ও এফ-২ আসনে বসা দুই যাত্রীর টিকিট ছিল না বলে জানায় অধিদপ্তর।

 

 

অভিযানকালে সারমিনের দুই পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের সঙ্গে কালো স্কচটেপ দিয়ে বিশেষ কৌশলে ইয়াবা লুকানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার করা ইয়াবার পরিমাণ ৭ হাজার ৮০০ পিস বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ছাড়া মাদক ব্যবসায় ব্যবহারের অভিযোগে একটি ভিভো ও একটি অপো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন এবং দুটি সাদা রঙের অ্যাংলেট জব্দ করা হয়।

 

 

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সামসুল আলম বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করেছেন।

 

 

অধিদপ্তর জানায়, মাদকের এই চালানের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলবে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

নালিতাবাড়ীতে অটোরিকশা চালকের বাড়িতে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার- ১

নালিতাবাড়ীতে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলেন সেলুন ব্যবসায়ী

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অটোরিকশাচালকের বাড়ি থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনায় সোহান (১৯) নামে এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে তাকে শেরপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের মানিকচাঁদ পাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহান ওই গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে।

 

 

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, গত ৭ জুলাই বিকেলে উপজেলার কয়ড়াকুড়ি গ্রামের অটোরিকশাচালক খলিলুর রহমান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পাশ্ববর্তী ভটপুর গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে তারা রাতে বাড়ি ফিরে এসে ঘরের প্লাস্টিকের ওয়্যারড্রোবে রাখা এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল ও নগদ ২০ হাজার টাকা চুরি যাওয়ার বিষয়টি টের পান।

 

 

এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হলে সোহান প্রকাশ্যে চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তবে পরে সে একেক সময় একেক ব্যক্তির নাম বলায় ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। একপর্যায়ে খলিলুর রহমানের প্রতিবেশী স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি মুক্তার হোসেনের নামও বলে সোহান।

 

 

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র মুক্তারকে দায়ী করে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। ভুক্তভোগীকে প্রতিকার পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে নানা সুবিধা নেওয়া এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষেত্রে কমিশনে টাকা নেওয়ার চুক্তির অভিযোগও উঠে। এতে প্রকৃত চোর শনাক্তের বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে।

 

 

জানাগেছে, সোহান এক সময় মুক্তারের সহযোগী হিসেবে মিস্ত্রিরির কাজ করত। টাকা লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ থাকায় মুক্তারকে ফাঁসাতে সোহান চুরির ঘটনায় তার নাম জড়িয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

 

 

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আফসান আল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কাউকে জড়ানো হয়ে থাকলে তাকে হয়রানি করা হবে না।

×