| ৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ সংবর্ধনা ও বিশেষ সনদ দিলেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে

দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ সংবর্ধনা ও বিশেষ সনদ দিলেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে

ভারতের ঐতিহাসিক ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ পরিদর্শন করেছেন আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি।

 

শনিবার তিনি উত্তর প্রদেশের ঐতিহাসিক এ ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় তাকে উষ্ণ সংবধর্না দেওয়া হয়।

বর্তমানে সাত দিনের ভারত সফরে রয়েছেন তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। তার ভারত সফরকে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

দেওবন্দ অবস্থানকালে মুত্তাকি প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক মুফতি আবুল কাসেম নোমানী এবং ভারতের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানিসহ শীর্ষ ইসলামি আলেমদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া তিনি দারুল উলুমের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষক ও পরিচালকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদারে উদ্যোগ হিসেবে তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বর্তমানে সাত দিনের সফরে ভারতে রয়েছেন। শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে তিনি সড়কপথে দেওবন্দে যান তিনি এবং প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন বলে জানা গেছে।

 

তালেবান শাসনভার গ্রহণের পর এটাই হবে কোনো সিনিয়র তালেবান নেতার প্রথম দেওবন্দ সফর।

 

দেওবন্দ পৌঁছালে মুত্তাকিকে দারুল উলুমের মহাপরিচালক মুফতি আবুল কাসেম নোমানী ও ১৫ জন জ্যেষ্ঠ আলেমের একটি প্রতিনিধি দল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। ছাত্র ও শিক্ষকরা তাকে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

 

প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে মাওলানা নোমানীর তত্ত্বাবধানে হাদিস পাঠের একটি ঐতিহ্যবাহী সেশনে অংশ নেন মুত্তাকি। এরপর তাকে হাদিস শিক্ষাদানের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কাসেমী’ উপাধি লাভ করেন। এখন থেকে তার নাম হবে মাওলানা আমির খান মুত্তাকি কাসেমী।

 

এই সনদ শুধু তার জ্ঞানগত মর্যাদাই তুলে ধরে না, বরং তাকে দেওবন্দি ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, যে ধারা আফগান ধর্মীয় চিন্তাধারায় গভীর প্রভাব আছে।

 

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানী এ সফরকে ‘এক ধরনের ঘরে ফেরা’ হিসেবে অভিহিত করেন। বলেন, মুত্তাকি যেন নিজের সাবেক শিক্ষালয়ে ফিরে এলেন।

 

সভায় মুত্তাকি বলেন, এই হৃদয়গ্রাহী অভ্যর্থনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি আশা করি ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে। আমরা নতুন কূটনীতিক পাঠাবো, আর আপনাদেরও কাবুলে স্বাগত জানাবো। দিল্লিতে যেভাবে আমাকে বরণ করা হয়েছে, তাতে আমি মনে করি এমন সফর ভবিষ্যতে আরও হতে পারে।

 

দারুল উলুম দেওবন্দ তালেবানের কাছে শুধু ধর্মীয় নয়, আদর্শিকভাবেও একটি প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে অবস্থিত দারুল উলূম হাক্কানিয়া, যা দেওবন্দের আদলে প্রতিষ্ঠিত, সেখানেই তালেবানের বহু শীর্ষ নেতা শিক্ষাগ্রহণ করেছেন।

 

আগামীকাল (রোববার) মুত্তাকি আগ্রা সফরে যাবেন, যেখানে তিনি বিশ্বের ঐতিহাসিক স্থাপনা তাজমহল পরিদর্শন করবেন। এরপর সোমবার তিনি নয়াদিল্লিতে ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বাণিজ্য সম্মেলনে অংশ নেবেন।

 

প্রথমে তার সফরটি কয়েক সপ্তাহ আগেই নির্ধারিত ছিল, তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ছাড়পত্র না মেলায় তা স্থগিত হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের কমিটি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র দিয়েছে, ফলে সফরটি সম্পন্ন হচ্ছে।

 

এই সফর ভারতের সঙ্গে তালেবান সরকারের সাম্প্রতিক গোপন ও আংশিক আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতা। চলতি বছরের শুরুর দিকে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি কাবুলে গিয়ে আমির খান মুত্তাকির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সান্তাহারে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করায় পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ সংবর্ধনা ও বিশেষ সনদ দিলেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে পাঁচ ব্যবসায়ীকে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসাথে সিমলা আবাসিক হোটেল তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। সোমবার দুপুরে সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সান্তাহার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান তালুকদার, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক জামাল উদ্দিনসহ পুলিশ সদস্যরা।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় কয়েক বছর ধরে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এ বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে একাধিকবার ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য তাগিদ দেওয়া হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তা উপেক্ষা করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

 

ফলে পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স খাত থেকে প্রত্যাশিত রাজস্ব আদায় ব্যাহত হয়৷ এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে লাইসেন্স নবায়ন না করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে আকরাম হোসেনকে ২ হাজার টাকা, জাহাঙ্গীরকে ৫০০ টাকা, সাবরিনাকে ৫০০ টাকা, আহসান হাবীবকে ১ হাজার টাকা এবং আবু সাঈদকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া সিমলা আবাসিক হোটেল তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পৌরসভার রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের নিয়মিত লাইসেন্স নবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে

দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ সংবর্ধনা ও বিশেষ সনদ দিলেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তিনটি এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুরাতন চাল কারবারি চক্র যোগসাজস করে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের শতাধিক টন সরকারি চাল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

জানা গেছে, বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের আভ্যন্তরীণ চলাচল সুচি নং ১৭, তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে ২০২৫/২০২৬ আমন এর আওতায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার এলএসডি থেকে জেলার গাবতলী উপজেলার তিনটি এলএসডিতে প্রায় সাড়ে ছয়শত মেট্টিক টন আমন চাল পাঠানোর জন্য আইআরটিসি (আভ্যন্তরীন চলাচল) সুচি গ্রহন করা হয়।

 

সুচি মোতাবেক সান্তাহার এলএসডি থেকে মোট ৬ শত সাড়ে ৪৩ মেট্টিক টনের মধ্যে গাবতলী সদর এলএসডিতে ১৯৮ মেট্টিক টন, একই উপজেলার সাবেকপাড়া এলএসডিতে ১৯৮ মেট্টিক টন, ও সুখানপুকুর এলএসডিতে ২শত সাড়ে ৪৭ মেট্টিক টনের সুচি ছিল। এই সুচির চাল প্রেরণ ও প্রাপ্তির শেষ তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর সান্তাহার এলএসডি থেকে সাতটি ভি- ইনভয়েস মাধ্যমে একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক চালের কাগজপত্র তৈরি করা হয়।

 

এরপর কাগজে-কলমে চালগুলো প্রেরণ এবং প্রাপ্তি দেখিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয় গাবতলীর সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের চালের কারবারি মোস্তাক আহমেদের নিকট। পুর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ২০ সেপ্টেম্বর সান্তাহার এলএসডি খাদ্য গুদামে আসেন অবৈধ চালের কারবারি মোস্তাক আহমেদ। সান্তাহার এলএসডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তার সহকারী কর্তৃক কাগজে কলমে একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক চাল ওই তিন এলএসডিতে প্রেরণ ও পরিবহন ঠিকাদার কর্তৃক গ্রহন করা দেখানো হয়। এরপর চাল না দিয়ে শুধু ভি-ইনভয়েস কাগজ দেওয়া হয় মোস্তাক আহেমেদর হাতে ।

 

তিনি কাগজগুলো নিয়ে গিয়ে জমা দেয় ওই তিন এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট। চালগুলো মোস্তাকের নিকট পুর্বেই বিক্রি করে দিয়ে রাখে ওই তিন এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ফলে তারা সান্তাহার এলএসডি থেকে শুধু ওই পরিমান চাল গ্রহন করার কাগজপত্র তথা ভি- ইনভয়েস গ্রহন করেন। পক্ষান্তরে চালগুলো রয়ে যায় সান্তাহার এলএসডির ৯ নম্বর গুদামে। ঘটনার দুই দিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর সান্তাহারের চালকল মালিক মতিউর রহমান স্বপন ঢাকা মেট্রো/ ট ১৪-৯৩২৮, ১৮-৪৯৩৯, ১৪-৫৮৯৪ ও ১৬-৫৫২৩ নম্বর ট্রাক দিয়ে সান্তাহার এলএসডির ৯ নম্বর গুদাম থেকে চালগুলো তার ব্যবসা কেন্দ্রে নিয়ে যায় বলে তথ্য মিলেছে।

 

এদিকে প্রেরণ ও প্রাপ্তি সময়ের শেষ দিন একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক টন চাল পাঠানোর জন্য তৈরি করা ভি- ইনভয়েসে নং ৪১৭২৭২৮ ও ৪১৭২৭৪০সহ সাতটি ভি- ইনভয়েজে যেসব ট্রাক নম্বর দেওয়া হয়েছে সেগুলো ভুয়া বলে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ঘটনার দিন ও সময়ে ঢাকা মোট্রো/১৪-৭৭৯৩সহ সাতটি ট্রাক সান্তাহার এলএসডিতে প্রবেশ করেনি। ট্রাক গুলো পুর্রের অন্য এক চলাচল সুচির সময় ব্যবহার করেছিলেন পরিবহন ঠিকাদার। এদিকে, এই একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক টন চাল সান্তাহারের চাল কারবারি স্বপনের কাছে সরবরাহ করার সময় সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মিয়া প্রতি কেজি আড়াই টাকা হিসাবে প্রায় তিন লাখ টাকা এবং সহকারী খাদ্য পরিদর্শক রাজু আহমেদ ট্রাক প্রতি দশ হাজার টাকা হিসাবে ৭০ হাজার ‘উপরি’ নিয়ে বেছে বেছে অপেক্ষাকৃত ভালো মানের তথা আমনের স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা চাল সরবরাহ করেছেন বলেও প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে।

 

এবিষয়ে গাবতলী উপজেলা সদর, উপজেলার সুখানপুকুর ও সাবেকপাড়া এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যথাক্রমে আব্দুল আলিম, দেবায়ন বাগচি ও শাকিল হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগের তথ্য সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।

 

সুচির সব বুঝে নিয়েছি এবং খাদ্য বান্ধব ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন কর্মসুচিতে সরবরাহ করেছি। এদিকে সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মিয়া সদ্য সমাপ্ত বোরো খাদ্য শস্য সংগ্রহ মৌসুমে মতিউর রহমান স্বপন নামে সান্তাহারের চালকল মালিক এর নিকট থেকে প্রতি কেজি আড়াই টাকা হিসাবে মোট সোয়া ৬ লাখ টাকা নিয়ে ২৫০ মেট্টিক টন আমন চাল বের করে দিয়ে বোরো চাল নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এসময় এলএসডির উপপরির্দশক রাজু আহমেদ ২৫০ টন তথা ১৪ ট্রাক চাল বদল করে দেওয়া নেওযার জন্য স্বপনের নিকট থেকে ট্রাক প্রতি ৫ হাজার টাকা করে ‘উপরি’ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে সাক্ষাতে যোগাযোগ করা হলে সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলী মিয়া সাংবাদিকদের বলেন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও বানোয়াট, উক্ত অভিযোগের সাথে আমাদের কার্ক্রমের কোন মিল নাই বলেও দাবি করেন।

জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ সংবর্ধনা ও বিশেষ সনদ দিলেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১ নভেম্বর (রবিবার) সকাল ১০টায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

 

WMC কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে আলোচনা পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস ও আবুল আসলাম তুহিন।

 

দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বিপুল সংখ্যক মৎস্যচাষি অংশ নেন। প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্যচাষের বিভিন্ন ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকার মৎস্য খাত ঝুঁকিতে পড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় চাষিদের আধুনিক কৌশলে অভ্যস্ত করা এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

 

‘ওয়েটল্যান্ড ফর রেজিলিয়েন্স’ প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ডরপ’ (DORP)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংস্থাটির প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মোতালেব ও মোঃ কবির হোসেন।

×