| ৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

ভোলা জজ আদালতের নাজির জিলানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল

ভোলা জজ আদালতের নাজির জিলানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল

ভোলা জেলা জজ আদালতের নাজির আবদুল কাদের জিলানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। অভিযোগ উঠেছে, নাজির পদে পদায়ন পেতে বর্তমান নাজির জিলানীকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে মানসিক চাপে ফেলে বদলি করার পায়তারায় লিপ্ত হয়েছে ওই চক্রটি।

 

এলাকা ঘুরে জানা যায় সাবেক জেলা জজ এ এইচ এম  মাহমুদুর রহমানের বদলীর পরেই নাজিরের বিরুদ্ধে এমন সব ষড়যন্ত্রের জাল বোনা শুরু করেছে চক্রটি। এ বিষয়ে তারা বিভিন্ন পত্রিকায় মিথ্যা নিউজও ছাপিয়েছে এবং সাংবাদিক দিয়ে হুমকি দামকিও দিয়ে চলছে। তবে নাজির আবদুল কাদের জিলানীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রমান মিলেনি তথ্যানুসন্ধানে।

 

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার দেশসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যা নিয়ে আদালত পাড়ায় তোলপাড় চলছে। এমন সময় বিশৃঙ্খলা ও জনস্বার্থে তথ্যানুসন্ধানের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

 

এসময় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিতিত্তে নাজিরের নিয়োগের বৈধতা, নিকুঞ্জ ভাড়া দেয়া  এবং বিভিন্ন আর্থিক দূর্ণীতি অভিযোগ নিয়ে আদালতে তথ্যানুসন্ধান চালানো হয়। এতে আদালতে নাজিরের নিযোগের নথি দৃষ্টে  দেখা যায়, নাজির আবদুল কাদের জিলানী ২০০১ সালের  সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখে  হিসাব রক্ষক কাম-টাইপিষ্ট(উচ্চমান সহকারী) অথাৎ সেরেস্তাদার সমমানে পদে ১৫তম বেতন গ্রেড স্কেলের চাকুরীতে যোগদান করে কর্মরত থেকে ৮ বছর পর ২০০৯ সালের ১০ অক্টোবর প্রথম টাইম স্কেল প্রাপ্ত হয়ে জাতীয় বেতন স্কেল ১৪তম গ্রেড অথাৎ নাজির সমমানের বেতন স্কেলে কর্মরত থাকেন। পরবর্তীতে জিলানী একই পদে ১২ বছর কর্মরত থেকে ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বরে সরকারী বিধি অনুযায়ী দ্বিতীয় টাইম প্রাপ্ত হয়ে জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩(তের)তম গেড প্রাপ্ত হয়ে নাজির বা তার সমমান পদের উপরে বেতন প্রাপ্ত হন।

 

পরবর্তীতে পারিবারিক সমস্যার কারনে নিজ জেলা কুমিল্লায় বদলী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে আবেদনের প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট কুমিল্লার আদালতে ১৩ তম বেতন স্কেলের পদ খালি না থাকায়  তার বিশেষ প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে পূর্বের বেতন স্কেল ঠিক রেখে তাকে (নিম্মমান  সহকারী) পদে ২০২২ সালে বদলী করেন। পরবতীতে  কুমিল্লা জেলা জজ আদালত  থেকে ২০২৩ সালে তাকে ভোলা জেলা জজ আদালতে একই পদে বদলী করেন। পরে জিলানী উক্ত পদে কর্মরত থেকে ভোলা জেলা জজ বরাবরে ১৩ তম গ্রেডে বহাল হওয়ার জন্য ২০২৩ সালের ২৬ জুলাই আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আবেদতি বিষয়টির বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে পদায়নের নোট দেন এবং আবেদিত ব্যক্তিকে পূর্ব পদে বহাল করলে সরকারের আর্থিক কোন ক্ষতি হবেনা মর্মে উল্লেখ করে আবদুল কাদের জিলানীকে পূর্বপদে অর্থাৎ ১৩ তম বেতন স্কেলে পদায়ন করেন।

উক্ত পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় জেলা জজ আদালত অফিস পরিচালনার কথা বিবেচনা করে নাজিরের শুণ্যপদে দরখাস্ত আহবান করা হলে একমাত্র আবদুল কাদের জিলানীর একটি আবেদন পাওয়া যায়। পরে আদালতের কাজ পরিচালনার কথা বিবেচনা করে পদায়নের –বিধির –৯ নং অনুচ্ছেদের (প্রয়োজনীয় যোগ্যতা শিথির করণ) অনুযায়ী আর কোন আবেদন না পাওয়ায় উক্ত নাজির পদে আবদুল কাদের জিলানীকে নিয়োগ দেয়া হয়। উক্ত পদে কর্মরত থেকে দক্ষতা ও সুনামের সাথে শিক্ষানবিশ কাল পার করায় জিলানীকে নাজির পদে স্থায়ী করা হয়।

এদিকে জেলা জজ আদালতের ন্যায়কুঞ্জ ভাড়া দেয়ার ব্যাপারে জিলানীর বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল তথ্যানুসন্ধানে পাওয়া যায় ন্যায়কুঞ্জ ভাড়া দেয়ার জিলানীর কোন এখতিয়ার নেই। এটি জজ ইনচার্জে দায়িত্বে রয়েছে।

 

অপরদিকে জিলানীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির যে অভিযোগ করা হয়েছে অনুসন্ধান চালিয়ে তার কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

আদালতে কর্মচারীবৃন্দ ও একাধিক সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে ভোলা জেলা জজ আদালতে কর্মরত নাজির আবদুল কাদের জিলানীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তারা বলেন, নাজির আবদুল কাদের জিলানী ন্যায় নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে কর্ম পরিচালনা করছেন।

সান্তাহারে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করায় পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ভোলা জজ আদালতের নাজির জিলানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে পাঁচ ব্যবসায়ীকে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসাথে সিমলা আবাসিক হোটেল তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। সোমবার দুপুরে সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সান্তাহার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান তালুকদার, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক জামাল উদ্দিনসহ পুলিশ সদস্যরা।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় কয়েক বছর ধরে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এ বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে একাধিকবার ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য তাগিদ দেওয়া হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তা উপেক্ষা করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

 

ফলে পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স খাত থেকে প্রত্যাশিত রাজস্ব আদায় ব্যাহত হয়৷ এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে লাইসেন্স নবায়ন না করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে আকরাম হোসেনকে ২ হাজার টাকা, জাহাঙ্গীরকে ৫০০ টাকা, সাবরিনাকে ৫০০ টাকা, আহসান হাবীবকে ১ হাজার টাকা এবং আবু সাঈদকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া সিমলা আবাসিক হোটেল তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পৌরসভার রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের নিয়মিত লাইসেন্স নবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে

ভোলা জজ আদালতের নাজির জিলানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তিনটি এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুরাতন চাল কারবারি চক্র যোগসাজস করে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের শতাধিক টন সরকারি চাল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

জানা গেছে, বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের আভ্যন্তরীণ চলাচল সুচি নং ১৭, তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে ২০২৫/২০২৬ আমন এর আওতায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার এলএসডি থেকে জেলার গাবতলী উপজেলার তিনটি এলএসডিতে প্রায় সাড়ে ছয়শত মেট্টিক টন আমন চাল পাঠানোর জন্য আইআরটিসি (আভ্যন্তরীন চলাচল) সুচি গ্রহন করা হয়।

 

সুচি মোতাবেক সান্তাহার এলএসডি থেকে মোট ৬ শত সাড়ে ৪৩ মেট্টিক টনের মধ্যে গাবতলী সদর এলএসডিতে ১৯৮ মেট্টিক টন, একই উপজেলার সাবেকপাড়া এলএসডিতে ১৯৮ মেট্টিক টন, ও সুখানপুকুর এলএসডিতে ২শত সাড়ে ৪৭ মেট্টিক টনের সুচি ছিল। এই সুচির চাল প্রেরণ ও প্রাপ্তির শেষ তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর সান্তাহার এলএসডি থেকে সাতটি ভি- ইনভয়েস মাধ্যমে একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক চালের কাগজপত্র তৈরি করা হয়।

 

এরপর কাগজে-কলমে চালগুলো প্রেরণ এবং প্রাপ্তি দেখিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয় গাবতলীর সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের চালের কারবারি মোস্তাক আহমেদের নিকট। পুর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ২০ সেপ্টেম্বর সান্তাহার এলএসডি খাদ্য গুদামে আসেন অবৈধ চালের কারবারি মোস্তাক আহমেদ। সান্তাহার এলএসডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তার সহকারী কর্তৃক কাগজে কলমে একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক চাল ওই তিন এলএসডিতে প্রেরণ ও পরিবহন ঠিকাদার কর্তৃক গ্রহন করা দেখানো হয়। এরপর চাল না দিয়ে শুধু ভি-ইনভয়েস কাগজ দেওয়া হয় মোস্তাক আহেমেদর হাতে ।

 

তিনি কাগজগুলো নিয়ে গিয়ে জমা দেয় ওই তিন এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট। চালগুলো মোস্তাকের নিকট পুর্বেই বিক্রি করে দিয়ে রাখে ওই তিন এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ফলে তারা সান্তাহার এলএসডি থেকে শুধু ওই পরিমান চাল গ্রহন করার কাগজপত্র তথা ভি- ইনভয়েস গ্রহন করেন। পক্ষান্তরে চালগুলো রয়ে যায় সান্তাহার এলএসডির ৯ নম্বর গুদামে। ঘটনার দুই দিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর সান্তাহারের চালকল মালিক মতিউর রহমান স্বপন ঢাকা মেট্রো/ ট ১৪-৯৩২৮, ১৮-৪৯৩৯, ১৪-৫৮৯৪ ও ১৬-৫৫২৩ নম্বর ট্রাক দিয়ে সান্তাহার এলএসডির ৯ নম্বর গুদাম থেকে চালগুলো তার ব্যবসা কেন্দ্রে নিয়ে যায় বলে তথ্য মিলেছে।

 

এদিকে প্রেরণ ও প্রাপ্তি সময়ের শেষ দিন একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক টন চাল পাঠানোর জন্য তৈরি করা ভি- ইনভয়েসে নং ৪১৭২৭২৮ ও ৪১৭২৭৪০সহ সাতটি ভি- ইনভয়েজে যেসব ট্রাক নম্বর দেওয়া হয়েছে সেগুলো ভুয়া বলে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ঘটনার দিন ও সময়ে ঢাকা মোট্রো/১৪-৭৭৯৩সহ সাতটি ট্রাক সান্তাহার এলএসডিতে প্রবেশ করেনি। ট্রাক গুলো পুর্রের অন্য এক চলাচল সুচির সময় ব্যবহার করেছিলেন পরিবহন ঠিকাদার। এদিকে, এই একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক টন চাল সান্তাহারের চাল কারবারি স্বপনের কাছে সরবরাহ করার সময় সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মিয়া প্রতি কেজি আড়াই টাকা হিসাবে প্রায় তিন লাখ টাকা এবং সহকারী খাদ্য পরিদর্শক রাজু আহমেদ ট্রাক প্রতি দশ হাজার টাকা হিসাবে ৭০ হাজার ‘উপরি’ নিয়ে বেছে বেছে অপেক্ষাকৃত ভালো মানের তথা আমনের স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা চাল সরবরাহ করেছেন বলেও প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে।

 

এবিষয়ে গাবতলী উপজেলা সদর, উপজেলার সুখানপুকুর ও সাবেকপাড়া এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যথাক্রমে আব্দুল আলিম, দেবায়ন বাগচি ও শাকিল হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগের তথ্য সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।

 

সুচির সব বুঝে নিয়েছি এবং খাদ্য বান্ধব ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন কর্মসুচিতে সরবরাহ করেছি। এদিকে সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মিয়া সদ্য সমাপ্ত বোরো খাদ্য শস্য সংগ্রহ মৌসুমে মতিউর রহমান স্বপন নামে সান্তাহারের চালকল মালিক এর নিকট থেকে প্রতি কেজি আড়াই টাকা হিসাবে মোট সোয়া ৬ লাখ টাকা নিয়ে ২৫০ মেট্টিক টন আমন চাল বের করে দিয়ে বোরো চাল নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এসময় এলএসডির উপপরির্দশক রাজু আহমেদ ২৫০ টন তথা ১৪ ট্রাক চাল বদল করে দেওয়া নেওযার জন্য স্বপনের নিকট থেকে ট্রাক প্রতি ৫ হাজার টাকা করে ‘উপরি’ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে সাক্ষাতে যোগাযোগ করা হলে সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলী মিয়া সাংবাদিকদের বলেন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও বানোয়াট, উক্ত অভিযোগের সাথে আমাদের কার্ক্রমের কোন মিল নাই বলেও দাবি করেন।

জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ভোলা জজ আদালতের নাজির জিলানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১ নভেম্বর (রবিবার) সকাল ১০টায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

 

WMC কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে আলোচনা পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস ও আবুল আসলাম তুহিন।

 

দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বিপুল সংখ্যক মৎস্যচাষি অংশ নেন। প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্যচাষের বিভিন্ন ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকার মৎস্য খাত ঝুঁকিতে পড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় চাষিদের আধুনিক কৌশলে অভ্যস্ত করা এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

 

‘ওয়েটল্যান্ড ফর রেজিলিয়েন্স’ প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ডরপ’ (DORP)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংস্থাটির প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মোতালেব ও মোঃ কবির হোসেন।

×