| ২ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

শাহীন স্কুল নন্নী বাজার শাখার পরিচালক শাহ্ আলমের বিরুদ্ধে ব‍িভিন্ন অভিযোগ

শাহীন স্কুল নন্নী বাজার শাখার পরিচালক শাহ্ আলমের বিরুদ্ধে ব‍িভিন্ন অভিযোগ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলাধীন শাহীন স্কুল নন্নীবাজার শাখা পরিচালক শাহ আলমের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব‍্যবস্থা গ্রহনের জন‍্য লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, শাহীন স্কুল নন্নী বাজার শাখার পরিচালক হিসেবে যোগদানের পর থেকে শাহ আলম অধিকাংশ অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের সাথে দুর্ব্যবহার করায় কতিপয় মেধাবী শিক্ষার্থী স্কুল থেকে চলে গেছে। তার জন্য শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম ও আগামীতে অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী চলে যাবার সম্ভাবনা আছে। পরিচালক শাহ আলমের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে প্রতিষ্ঠাকালীন কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকা শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করালেও তারা অত্র স্কুল থেকে পদত্যাগ করে চলে গেছেন। আরো ১-২ জন শিক্ষক চলে যেতে পারে। বিভিন্ন অভিভাবক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে উক্ত পরিচালক তর্ক-বির্তক ও দুর্ব্যবহার করেন। সে যোগদানের পর নানা কৌশলে অভিভাবকের নিকট অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আছেন।

 

সম্প্রতি শাহীন স্কুল নন্নীবাজার শাখায় (র‍্যাফেল ড্র) লটারীর নামে ক্রিকেট খেলার আড়ালে পরিচালক শাহ আলম হাজার-হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার খবর বিভিন্ন পত্রিকা ও মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। স্থানীয় গণ‍্যমান‍্য ব‍্যাক্তি, নেতৃবৃন্দ ও জন প্রতিনিধির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক নেই।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সুত্র জানায়, এ শাখায় যোগদানের আগে প্রশিক্ষককালে শাহ আলমের বিরুদ্ধে ইভটিজিং এর অভিযোগ উঠায় সাধারণ শিক্ষক হিসেবে তাকে শাহীন স্কুল শেরপুর সজবরখিলা শাখায় নিয়োগ দেওয়া হয়। বদ মেজাজী ও অহংকারী পরিচালক শাহ আলমের প্রতি অনেকে বিরক্ত ও ক্ষুদ্ধ হওয়ায় শাহীন স্কুল নন্নী বাজার শাখার সুনাম ও ভাবমুর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে স্থানীয় সচেতন মহল, অভিভাবক, ব‍্যবসায়ী ও গণ‍্যমান‍্য ব‍্যক্তিরা তার বিরুদ্ধে ব‍্যবস্থা নিতে শাহীন শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান এবং আঞ্চলিক প্রধানের কাছে সম্প্রতি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

 

অত্র স্কুলের অভিভাবক আশ্রাফুল আলম উজ্জল বলেন, পরিচালক শাহআলম অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে প্রায়ই দুর্ব‍্যবহার করেন। নানা অনিয়ম ও অহংকারী কথা বলায় মিটিং সে অপমানিত-লাঞ্চিত হয়। কৌশলে অভিভাবকদের কাছ থেকে তিনি অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

অভিভাবক- হালিমা খাতুন বলেন, আমার বাচ্চার জন‍্য টাই কিনতে গেলে গুছিয়ে কথা না বলায় বকা-বকি ও অপমান করে পরিচালক শাহ আলম আমাকে অফিস থেকে বের করে দেন।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষার্থীর পিতা জানান, আমার সামনে তুচ্ছ বিষয়ে এক সিনিঃ শিক্ষককে তিনি অপমান ও দুর্ব‍্যবহার করেন।

 

সদ‍্য পদত‍্যাগ করা এক শিক্ষক বলেন, আমারা বিনাবেতনে প্রায় ৩ মাস দিন-রাত কষ্ট করে শিক্ষার্থী ভর্তি করেছি। নারী কেলেঙ্কারির জন‍্য অত্র স্কুলের তৎকালীন এক পরিচালককে অব‍্যাহতি দেওয়া হয়। ঘটনা প্রকাশ হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ওই শুন‍্য পদে যোগদানের পর থেকেই বেপরোয়া পরিচালক শাহ আলম শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব‍্যবহার করে নানা ষড়যন্ত্র ও চাপে রাখেন। ফলে কয়েকজন শিক্ষক চলে গেছেন। চাকরী চলে যাওয়ার ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেনা। শিক্ষার্থীদের নানা শাস্তি ও ধমক দেন। কর্তৃপক্ষ দ্রুত তার বিরুদ্ধে ব‍্যবস্থা নিলে ভালো হবে।

 

এবিষয়ে অভিযুক্ত পরিচালক শাহ আলম সাংবাদিকদের বলেন, এটা একটা তুচ্ছ ঘটনা। ক’জন শিক্ষক নিজে পদত‍্যাগ করেছেন। কাউকে চাকুরীচূত‍্য করিনি।

আমি কারো সাথে দুর্ব‍্যবহার করিনাই। অভিযোগ কারীদের সাথে কর্তৃপক্ষ কথা বলে মিটমাট করে দিয়েছে।

 

এব‍‍্যাপারে শাহীন স্কুলের আঞ্চলিক প্রধান আব্দুল গফুর সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগের কপি পেয়েছি, এব‍্যাপারে তাকে নোটিশ করা হয়েছে। অভিভাবকদের সাথে কথা বলে সমন্বয় করা হয়েছে। পরবর্তীতে সংশোধন না হলে তার বিরুদ্ধে ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে।

জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

শাহীন স্কুল নন্নী বাজার শাখার পরিচালক শাহ্ আলমের বিরুদ্ধে ব‍িভিন্ন অভিযোগ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১ নভেম্বর (রবিবার) সকাল ১০টায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

 

WMC কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে আলোচনা পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস ও আবুল আসলাম তুহিন।

 

দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বিপুল সংখ্যক মৎস্যচাষি অংশ নেন। প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্যচাষের বিভিন্ন ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকার মৎস্য খাত ঝুঁকিতে পড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় চাষিদের আধুনিক কৌশলে অভ্যস্ত করা এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

 

‘ওয়েটল্যান্ড ফর রেজিলিয়েন্স’ প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ডরপ’ (DORP)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংস্থাটির প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মোতালেব ও মোঃ কবির হোসেন।

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে শরণখোলায় জাতীয় যুব দিবস পালিত

শাহীন স্কুল নন্নী বাজার শাখার পরিচালক শাহ্ আলমের বিরুদ্ধে ব‍িভিন্ন অভিযোগ

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা, যুব ঋণ ও যুব সংগঠনের অনুদানের চেক বিতরণ এবং গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।

 

উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে একটি যুব র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা মিলনায়তনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

 

র‍্যালি শেষে উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল্লাহ আল ফয়সালের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রেজোয়ান ইফতেকারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শিশির কুমার দাস।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত, সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন মিলন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা রফিকুল ইসলাম কবির এবং শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম হোসেন সুজন।

 

আলোচনা সভা শেষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে যুব সংগঠনের মাঝে অনুদানের চেক এবং আত্মকর্মসংস্থানের জন্য যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে গাছের চারা রোপণ ও সাধারণ মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, এনজিও প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আকলিমা বেগমকে দিলেন ৬০ হাজার টাকা, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে নির্মিত হলো বসতঘর

শাহীন স্কুল নন্নী বাজার শাখার পরিচালক শাহ্ আলমের বিরুদ্ধে ব‍িভিন্ন অভিযোগ

মানবিকতার টানে হাজার মাইল দূরে থেকেও নিজ এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন আমেরিকা প্রবাসী মো. আনোয়ার হোসেন। শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার অসহায় বিধবা আকলিমা বেগমের দুর্দশার কথা জানতে পেরে বসতঘর নির্মাণের জন্য তাঁর হাতে তুলে দিয়েছেন ৬০ হাজার টাকা।

 

অন্যদিকে, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের উদ্যোগে আকলিমা বেগমের জন্য নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে নতুন বসতঘর। এতে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে মাথা গোঁজার নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন অসহায় এই নারী।

 

মো. আনোয়ার হোসেন ঝিনাইগাতী উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের বনগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও নিজের শেকড় ও এলাকার মানুষের প্রতি তাঁর টান অটুট রয়েছে। প্রবাসে থেকেও এলাকার দরিদ্র, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় বিভিন্ন সময় এগিয়ে এসেছেন তিনি।

 

অসহায় আকলিমা বেগমের বাড়ি উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামে। জীবনের শেষ বয়সে এসে চরম অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে দিন কাটছিল তাঁর। পরিবারে উপার্জনক্ষম মানুষ বলতে কার্যত কেউ নেই। দুই ছেলে বিয়ে করে আলাদা সংসার গড়েছেন। মায়ের খোঁজখবরও তেমন নেন না। একমাত্র মেয়েটিও বিধবা। অন্যের বাড়িতে কাজ করে মেয়ের সামান্য উপার্জনেই কোনোরকমে চলে মা-মেয়ের সংসার।

 

পাশাপাশি নানা শারীরিক সমস্যায়ও জর্জরিত আকলিমা বেগম। অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ কেনা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। স্থানীয় ওষুধের দোকানে জমেছে বকেয়া। টাকা পরিশোধ করতে না পারায় একপর্যায়ে বাকিতে ওষুধ পাওয়াও বন্ধ হয়ে যায়।

 

শুধু চিকিৎসার সংকটই নয়, বসবাসের ঘরটিও ছিল অত্যন্ত জরাজীর্ণ। বৃষ্টি হলেই ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়ত। ভেঙে গিয়েছিল বেড়া, চালের টিন ও ঘরের খুঁটি। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মা-মেয়ের বসবাস ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা আর দুর্ভোগের মধ্যেই কাটছিল তাঁদের জীবন।

 

সম্প্রতি আকলিমা বেগমের অসহায়ত্ব ও মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি আমেরিকা প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের নজরে আসে। পরে তিনি তাঁর ছোট ভাই গোলাম রাব্বানী সোহাগের মাধ্যমে আকলিমা বেগমের খোঁজখবর নেন এবং তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। বসতঘর নির্মাণের সহায়তা হিসেবে তাঁর হাতে তুলে দেন ৬০ হাজার টাকা।

 

এদিকে, আকলিমা বেগমের দুরবস্থার বিষয়টি জানতে পেরে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের মানবিক উদ্যোগে অসহায় এই পরিবারের জন্য নির্মাণ করে দেওয়া হয় একটি নতুন বসতঘর। ফলে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার সুযোগ পেয়েছেন আকলিমা বেগম ও তাঁর মেয়ে।

 

জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে বসতঘর নির্মিত হওয়ায় প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের দেওয়া ৬০ হাজার টাকা এখন ঘর নির্মাণের পরিবর্তে আকলিমা বেগমের চিকিৎসা, ওষুধ কেনা ও অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে ব্যয় করা সম্ভব হবে। এতে তাঁর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংসারের কিছুটা আর্থিক স্বস্তি ফিরবে।

 

অসহায় মানুষের বিপদে প্রবাসে থেকেও আনোয়ার হোসেনের এমন মানবিক সহযোগিতা এবং জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে। নতুন ঘর পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে আকলিমা বেগমের জীবনে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও চিকিৎসার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় তিনি ও তাঁর মেয়ে আনন্দিত।

×