| ৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম

ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার, ছাত্রদের ওপর হামলায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারসহ ৪ দফা দাবি আদায়ে আলটিমেটাম দিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামিয়া ফয়েজুর রহমান মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা।

 

একই সঙ্গে তারা ছাত্রদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার, হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার এবং মাদ্রাসার একাডেমিক কার্যক্রমে নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিতসহ চার দফা দাবি উপস্থাপন করেছেন।

 

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর বড় মসজিদ ক্যাম্পাসে অবস্থিত জামিয়া ফয়েজুর রহমান মাদ্রাসার মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১ হাজারের চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী অংশ নেন।

 

চার দফা দাবি সমূহঃ- ১. ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। ২. মাদ্রাসা শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ৩. হামলার পর মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নামে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। ৪. মাদ্রাসার প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে কোনো প্রকার সরকারি হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযৌক্তিকভাবে হস্তক্ষেপ করে আসছেন। তিনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষক সমাজের সঙ্গে বারবার অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন এবং মাদ্রাসা কমিটির সভাপতির পদে থেকে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

তাদের দাবি, সম্প্রতি মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা স্পর্শকাতর অভিযোগের তদন্তেও জেলা প্রশাসক প্রকাশ্যে ওই শিক্ষকের পক্ষ নিয়েছেন, যা শিক্ষক সমাজে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতা হলেও রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে হামলা চালায়। হামলায় হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ শহীদুল ইসলাম গুরুতর আহত হন এবং পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

ঘটনার পর সোমবার রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসন মাদ্রাসায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরা রাতেই মাদ্রাসার পূর্ব গেটে মোতায়েন হন। তবে মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অমান্য করে শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যান এবং বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেন।

 

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে ডিসিকে প্রত্যাহার করো, শিক্ষকের রক্ত বৃথা যেতে দেব না, মাদ্রাসার স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে, এমন নানা স্লোগান দেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী নেতা আজিজুল হক, শিক্ষক প্রতিনিধি মুফতি ওমর ফারুক ও বড় মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল হক।

 

শিক্ষক নেতা মুফতি ওমর ফারুক বলেন, আমরা কারও শত্রু নই। আমরা শুধু ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে চাই। জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হয়েও পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। তার এমন ভূমিকা মাদ্রাসার শান্ত পরিবেশ নষ্ট করেছে।

 

শিক্ষার্থী নেতা আজিজুল হক বলেন, আমাদের নিরীহ সহপাঠীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা হয়েছে। যারা হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।

 

বড় মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল হক বলেন, মাদ্রাসা ইসলামি শিক্ষার কেন্দ্র। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশের সম্পদ। তাদের সঙ্গে প্রশাসনের বৈরী আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। সরকার যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।

 

আন্দোলনরত শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের চার দফা দাবি পূরণ না হলে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাওসহ কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

 

উল্লেখ্য, জামিয়া ফয়েজুর রহমান কওমি মাদ্রাসা ময়মনসিংহের অন্যতম বৃহৎ ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি প্রশাসনিকভাবে জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হলেও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সান্তাহারে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করায় পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে পাঁচ ব্যবসায়ীকে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসাথে সিমলা আবাসিক হোটেল তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। সোমবার দুপুরে সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সান্তাহার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান তালুকদার, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক জামাল উদ্দিনসহ পুলিশ সদস্যরা।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় কয়েক বছর ধরে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এ বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে একাধিকবার ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য তাগিদ দেওয়া হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তা উপেক্ষা করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

 

ফলে পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স খাত থেকে প্রত্যাশিত রাজস্ব আদায় ব্যাহত হয়৷ এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে লাইসেন্স নবায়ন না করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে আকরাম হোসেনকে ২ হাজার টাকা, জাহাঙ্গীরকে ৫০০ টাকা, সাবরিনাকে ৫০০ টাকা, আহসান হাবীবকে ১ হাজার টাকা এবং আবু সাঈদকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া সিমলা আবাসিক হোটেল তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পৌরসভার রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের নিয়মিত লাইসেন্স নবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে

ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তিনটি এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুরাতন চাল কারবারি চক্র যোগসাজস করে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের শতাধিক টন সরকারি চাল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

জানা গেছে, বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের আভ্যন্তরীণ চলাচল সুচি নং ১৭, তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে ২০২৫/২০২৬ আমন এর আওতায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার এলএসডি থেকে জেলার গাবতলী উপজেলার তিনটি এলএসডিতে প্রায় সাড়ে ছয়শত মেট্টিক টন আমন চাল পাঠানোর জন্য আইআরটিসি (আভ্যন্তরীন চলাচল) সুচি গ্রহন করা হয়।

 

সুচি মোতাবেক সান্তাহার এলএসডি থেকে মোট ৬ শত সাড়ে ৪৩ মেট্টিক টনের মধ্যে গাবতলী সদর এলএসডিতে ১৯৮ মেট্টিক টন, একই উপজেলার সাবেকপাড়া এলএসডিতে ১৯৮ মেট্টিক টন, ও সুখানপুকুর এলএসডিতে ২শত সাড়ে ৪৭ মেট্টিক টনের সুচি ছিল। এই সুচির চাল প্রেরণ ও প্রাপ্তির শেষ তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর সান্তাহার এলএসডি থেকে সাতটি ভি- ইনভয়েস মাধ্যমে একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক চালের কাগজপত্র তৈরি করা হয়।

 

এরপর কাগজে-কলমে চালগুলো প্রেরণ এবং প্রাপ্তি দেখিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয় গাবতলীর সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের চালের কারবারি মোস্তাক আহমেদের নিকট। পুর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ২০ সেপ্টেম্বর সান্তাহার এলএসডি খাদ্য গুদামে আসেন অবৈধ চালের কারবারি মোস্তাক আহমেদ। সান্তাহার এলএসডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তার সহকারী কর্তৃক কাগজে কলমে একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক চাল ওই তিন এলএসডিতে প্রেরণ ও পরিবহন ঠিকাদার কর্তৃক গ্রহন করা দেখানো হয়। এরপর চাল না দিয়ে শুধু ভি-ইনভয়েস কাগজ দেওয়া হয় মোস্তাক আহেমেদর হাতে ।

 

তিনি কাগজগুলো নিয়ে গিয়ে জমা দেয় ওই তিন এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট। চালগুলো মোস্তাকের নিকট পুর্বেই বিক্রি করে দিয়ে রাখে ওই তিন এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ফলে তারা সান্তাহার এলএসডি থেকে শুধু ওই পরিমান চাল গ্রহন করার কাগজপত্র তথা ভি- ইনভয়েস গ্রহন করেন। পক্ষান্তরে চালগুলো রয়ে যায় সান্তাহার এলএসডির ৯ নম্বর গুদামে। ঘটনার দুই দিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর সান্তাহারের চালকল মালিক মতিউর রহমান স্বপন ঢাকা মেট্রো/ ট ১৪-৯৩২৮, ১৮-৪৯৩৯, ১৪-৫৮৯৪ ও ১৬-৫৫২৩ নম্বর ট্রাক দিয়ে সান্তাহার এলএসডির ৯ নম্বর গুদাম থেকে চালগুলো তার ব্যবসা কেন্দ্রে নিয়ে যায় বলে তথ্য মিলেছে।

 

এদিকে প্রেরণ ও প্রাপ্তি সময়ের শেষ দিন একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক টন চাল পাঠানোর জন্য তৈরি করা ভি- ইনভয়েসে নং ৪১৭২৭২৮ ও ৪১৭২৭৪০সহ সাতটি ভি- ইনভয়েজে যেসব ট্রাক নম্বর দেওয়া হয়েছে সেগুলো ভুয়া বলে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ঘটনার দিন ও সময়ে ঢাকা মোট্রো/১৪-৭৭৯৩সহ সাতটি ট্রাক সান্তাহার এলএসডিতে প্রবেশ করেনি। ট্রাক গুলো পুর্রের অন্য এক চলাচল সুচির সময় ব্যবহার করেছিলেন পরিবহন ঠিকাদার। এদিকে, এই একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক টন চাল সান্তাহারের চাল কারবারি স্বপনের কাছে সরবরাহ করার সময় সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মিয়া প্রতি কেজি আড়াই টাকা হিসাবে প্রায় তিন লাখ টাকা এবং সহকারী খাদ্য পরিদর্শক রাজু আহমেদ ট্রাক প্রতি দশ হাজার টাকা হিসাবে ৭০ হাজার ‘উপরি’ নিয়ে বেছে বেছে অপেক্ষাকৃত ভালো মানের তথা আমনের স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা চাল সরবরাহ করেছেন বলেও প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে।

 

এবিষয়ে গাবতলী উপজেলা সদর, উপজেলার সুখানপুকুর ও সাবেকপাড়া এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যথাক্রমে আব্দুল আলিম, দেবায়ন বাগচি ও শাকিল হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগের তথ্য সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।

 

সুচির সব বুঝে নিয়েছি এবং খাদ্য বান্ধব ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন কর্মসুচিতে সরবরাহ করেছি। এদিকে সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মিয়া সদ্য সমাপ্ত বোরো খাদ্য শস্য সংগ্রহ মৌসুমে মতিউর রহমান স্বপন নামে সান্তাহারের চালকল মালিক এর নিকট থেকে প্রতি কেজি আড়াই টাকা হিসাবে মোট সোয়া ৬ লাখ টাকা নিয়ে ২৫০ মেট্টিক টন আমন চাল বের করে দিয়ে বোরো চাল নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এসময় এলএসডির উপপরির্দশক রাজু আহমেদ ২৫০ টন তথা ১৪ ট্রাক চাল বদল করে দেওয়া নেওযার জন্য স্বপনের নিকট থেকে ট্রাক প্রতি ৫ হাজার টাকা করে ‘উপরি’ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে সাক্ষাতে যোগাযোগ করা হলে সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলী মিয়া সাংবাদিকদের বলেন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও বানোয়াট, উক্ত অভিযোগের সাথে আমাদের কার্ক্রমের কোন মিল নাই বলেও দাবি করেন।

জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১ নভেম্বর (রবিবার) সকাল ১০টায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

 

WMC কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে আলোচনা পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস ও আবুল আসলাম তুহিন।

 

দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বিপুল সংখ্যক মৎস্যচাষি অংশ নেন। প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্যচাষের বিভিন্ন ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকার মৎস্য খাত ঝুঁকিতে পড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় চাষিদের আধুনিক কৌশলে অভ্যস্ত করা এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

 

‘ওয়েটল্যান্ড ফর রেজিলিয়েন্স’ প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ডরপ’ (DORP)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংস্থাটির প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মোতালেব ও মোঃ কবির হোসেন।

×