| ২ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

শেরপুরের গারো পাহাড়ের মূল্যবান লাল বালু উত্তোলন করে পাচার : কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

শেরপুরের গারো পাহাড়ের মূল্যবান লাল বালু উত্তোলন করে পাচার : কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

মেঘালয়ের কোল ঘেঁষা সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকার বিভিন্ন পাহাড়ি নদী ও ঝোড়া থেকে মূল্যবান লাল বালু উত্তোলন করে দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে পাচার করে বিক্রি করছে প্রভাবশালী কথিত রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা বালু খেকো সিন্ডিকেট। যদিও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করে অনেককে জেল জরিমানার আওতায় আনা হয়েছে। তবে কোন ভাবেই থামছে না অবৈধ লাল বালু উত্তোলন। উত্তোলনকৃত এসব বালুর মধ্যে মূল্যবান খনিজ বালুও রয়েছে। ফলে সরকার হারাচ্ছে মূল্যবান সম্পদ ও রাজস্ব।

 

দীর্ঘ অনুসন্ধান ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের গজনী বিট এলাকার বাকাকুড়া, গজনী, গান্ধীগাও, জিয়া খাল, সন্ধ্যাকুড়া, বালিঝুড়ী সংলগ্ন তাওয়াকুচার সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট সহ বিভিন্ন ছোট নদী ও খাল থেকে নিয়মিত প্রতিদিনই বিভিন্ন কৌশলে বালু উত্তোলন করে রাতের আঁধারে ও খুব ভোরে উত্তোলিত বালু মাহিন্দ্রা ট্রাক, ট্রলি, ভ্যান, ও অটোরিকশা যোগে ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন গ্রামীন সড়ক হয়ে পাচার হয়ে পরে শেরপুর শহর ও শহরের আশেপাশে বাজিতখিলা, তাতালপুর, কালিগঞ্জ সহ বিভিন্ন সেলস পয়েন্ট স্থাপন করে প্রশাসনের নাকের ডগায় বালু বিক্রি করছে। এর আগে জেলা প্রশাসন প্রজ্ঞাপন জারি করে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় বালু উত্তোলন ও পরিবহন নিষিদ্ধ করে। তবে এখন শেরপুর শহরের আশেপাশে বিভিন্ন সেলস পয়েন্ট স্থাপন করে প্রকাশ্যে লাল বালু বিক্রি করায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

 

বালু পরিবহন কাজে নিয়োজিত অবস্থায় বাজিতখিলা বাজারে ঝিনাইগাতীর ডাকাবর এলাকার জনৈক মাহিন্দ্রা চালকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি মাহিন্দ্রা বালু ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা, ট্রলি সাড়ে ৭ হাজার টাকা এবং অটোভ্যান ২৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। বালু বহন কারী ড্রাইভার সজীবের কাছে প্রতিবেদক বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি শেরপুর শহরের জনৈক বালু ব্যবসায়ীকে ফোন ধরিয়ে দেন। তিনি নিজ পরিচয় প্রকাশ না করে বলেন, পুলিশ প্রশাসন ও ফরেস্ট অফিস কে ম্যানেজ করেই চলছে এ অবৈধ বালু ব্যবসা। এছাড়া ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া এলাকার সাইফুল সহ প্রভাব শালীরাও এতে জড়িত বলে তিনি জানান।

 

বালু পাচার কালে আরেক অটোরিকশা চালক বাকাকুড়া এলাকার হাসমত আলী জানান, আমরা প্রতিদিন ই ভ্যান যোগে বালু এনে শেরপুর শহরে ২৫০০ টাকায় বিক্রি করি।কাউকে কোন টাকা দেওয়া লাগে কিনা জানতে চাইলে তিনি কোন কথা বলেন নি।

 

ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো : আল আমিন এর সাথে কথা বললে, আমাদের টহল টিম সব সময় রাস্তায় টহল দেয়। আবার অনেক সময় আসামী ধরার কাজে ফোর্স চলে গেলে এ সুযোগে হয়তো কেউ বালু পাচার করতে পারে। তবে পুলিশ বালু পাচারে জড়িত নন বলে জানান তিনি।

 

রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো : আ: করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সাইফুলের একটি বালু বহনকারী মাহিন্দ্রা ট্রাক বালু সহ আমার কাছে আটক আছে। আমার এরিয়া থেকে কোন বালু উত্তোলন হয় না। এখন পাহাড় থেকে নয় বরং পাহাড়ি ঝোড়া থেকে এই বালু গুলো উত্তোলন করা হচ্ছে।

 

এব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো : আশরাফুল আলম এর সঙ্গে কথা বললে, তিনি বলেন, আমার বালু পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি। তাদের অনেককে আটক করে সাজা শাস্তির আওতায় এনেছি। আজকেও (৬ ডিসেম্বর শনিবার) আমরা এসিল্যান্ড এর মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে দুটি গাড়ি আটক করিয়েছি। এধরণের কাজে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব।

জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

শেরপুরের গারো পাহাড়ের মূল্যবান লাল বালু উত্তোলন করে পাচার : কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১ নভেম্বর (রবিবার) সকাল ১০টায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

 

WMC কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে আলোচনা পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস ও আবুল আসলাম তুহিন।

 

দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বিপুল সংখ্যক মৎস্যচাষি অংশ নেন। প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্যচাষের বিভিন্ন ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকার মৎস্য খাত ঝুঁকিতে পড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় চাষিদের আধুনিক কৌশলে অভ্যস্ত করা এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

 

‘ওয়েটল্যান্ড ফর রেজিলিয়েন্স’ প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ডরপ’ (DORP)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংস্থাটির প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মোতালেব ও মোঃ কবির হোসেন।

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে শরণখোলায় জাতীয় যুব দিবস পালিত

শেরপুরের গারো পাহাড়ের মূল্যবান লাল বালু উত্তোলন করে পাচার : কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা, যুব ঋণ ও যুব সংগঠনের অনুদানের চেক বিতরণ এবং গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।

 

উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে একটি যুব র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা মিলনায়তনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

 

র‍্যালি শেষে উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল্লাহ আল ফয়সালের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রেজোয়ান ইফতেকারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শিশির কুমার দাস।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত, সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন মিলন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা রফিকুল ইসলাম কবির এবং শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম হোসেন সুজন।

 

আলোচনা সভা শেষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে যুব সংগঠনের মাঝে অনুদানের চেক এবং আত্মকর্মসংস্থানের জন্য যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে গাছের চারা রোপণ ও সাধারণ মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, এনজিও প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আকলিমা বেগমকে দিলেন ৬০ হাজার টাকা, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে নির্মিত হলো বসতঘর

শেরপুরের গারো পাহাড়ের মূল্যবান লাল বালু উত্তোলন করে পাচার : কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

মানবিকতার টানে হাজার মাইল দূরে থেকেও নিজ এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন আমেরিকা প্রবাসী মো. আনোয়ার হোসেন। শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার অসহায় বিধবা আকলিমা বেগমের দুর্দশার কথা জানতে পেরে বসতঘর নির্মাণের জন্য তাঁর হাতে তুলে দিয়েছেন ৬০ হাজার টাকা।

 

অন্যদিকে, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের উদ্যোগে আকলিমা বেগমের জন্য নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে নতুন বসতঘর। এতে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে মাথা গোঁজার নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন অসহায় এই নারী।

 

মো. আনোয়ার হোসেন ঝিনাইগাতী উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের বনগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও নিজের শেকড় ও এলাকার মানুষের প্রতি তাঁর টান অটুট রয়েছে। প্রবাসে থেকেও এলাকার দরিদ্র, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় বিভিন্ন সময় এগিয়ে এসেছেন তিনি।

 

অসহায় আকলিমা বেগমের বাড়ি উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামে। জীবনের শেষ বয়সে এসে চরম অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে দিন কাটছিল তাঁর। পরিবারে উপার্জনক্ষম মানুষ বলতে কার্যত কেউ নেই। দুই ছেলে বিয়ে করে আলাদা সংসার গড়েছেন। মায়ের খোঁজখবরও তেমন নেন না। একমাত্র মেয়েটিও বিধবা। অন্যের বাড়িতে কাজ করে মেয়ের সামান্য উপার্জনেই কোনোরকমে চলে মা-মেয়ের সংসার।

 

পাশাপাশি নানা শারীরিক সমস্যায়ও জর্জরিত আকলিমা বেগম। অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ কেনা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। স্থানীয় ওষুধের দোকানে জমেছে বকেয়া। টাকা পরিশোধ করতে না পারায় একপর্যায়ে বাকিতে ওষুধ পাওয়াও বন্ধ হয়ে যায়।

 

শুধু চিকিৎসার সংকটই নয়, বসবাসের ঘরটিও ছিল অত্যন্ত জরাজীর্ণ। বৃষ্টি হলেই ঘরের চাল দিয়ে পানি পড়ত। ভেঙে গিয়েছিল বেড়া, চালের টিন ও ঘরের খুঁটি। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মা-মেয়ের বসবাস ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা আর দুর্ভোগের মধ্যেই কাটছিল তাঁদের জীবন।

 

সম্প্রতি আকলিমা বেগমের অসহায়ত্ব ও মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি আমেরিকা প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের নজরে আসে। পরে তিনি তাঁর ছোট ভাই গোলাম রাব্বানী সোহাগের মাধ্যমে আকলিমা বেগমের খোঁজখবর নেন এবং তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। বসতঘর নির্মাণের সহায়তা হিসেবে তাঁর হাতে তুলে দেন ৬০ হাজার টাকা।

 

এদিকে, আকলিমা বেগমের দুরবস্থার বিষয়টি জানতে পেরে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের মানবিক উদ্যোগে অসহায় এই পরিবারের জন্য নির্মাণ করে দেওয়া হয় একটি নতুন বসতঘর। ফলে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার সুযোগ পেয়েছেন আকলিমা বেগম ও তাঁর মেয়ে।

 

জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে বসতঘর নির্মিত হওয়ায় প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের দেওয়া ৬০ হাজার টাকা এখন ঘর নির্মাণের পরিবর্তে আকলিমা বেগমের চিকিৎসা, ওষুধ কেনা ও অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে ব্যয় করা সম্ভব হবে। এতে তাঁর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংসারের কিছুটা আর্থিক স্বস্তি ফিরবে।

 

অসহায় মানুষের বিপদে প্রবাসে থেকেও আনোয়ার হোসেনের এমন মানবিক সহযোগিতা এবং জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে। নতুন ঘর পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে আকলিমা বেগমের জীবনে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও চিকিৎসার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় তিনি ও তাঁর মেয়ে আনন্দিত।

×