| ১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য উৎসব সম্পন্ন, করামত আলীর সাহিত্য ও শিক্ষাভাবনা আমাদের মননে আজও প্রাসঙ্গিক

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য উৎসব সম্পন্ন, করামত আলীর সাহিত্য ও শিক্ষাভাবনা আমাদের মননে আজও প্রাসঙ্গিক

সৃজনশীল প্রকাশনাসংস্থা পাপড়ির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো কবি ও শিক্ষাবিদ মরহুম করামত আলী স্মরণে ‘পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য উৎসব ২০২৬’ । সাহিত্য, শিক্ষা ও মননচর্চার সম্মিলনে আয়োজিত এ উৎসব সাহিত্যাঙ্গনে এক আবেগঘন ও অনন্য আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

 

১৭ জানুয়ারি শনিবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চারঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কবি অধ্যক্ষ কালাম আজাদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস উন নূর। সংবর্ধিত অতিথিদের মধ্য থেকে বক্তব্য দেন পাপড়ি-করামত আলী আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাবেক সভাপতি কবি রাগিব হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দৈনিক প্রভাতবেলার সম্পাদক কবীর আহমদ সোহেল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা। গল্পকার ও নাট্যাভিনেতা মিনহাজ ফয়সলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন প্রকাশনাসংস্থা পাপড়ির কর্ণধার কামরুল আলম।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুকতাবিস উন নূর বলেন, মরহুম করামত আলী ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ ও সৃজনশীল মানুষ। তাঁর চিন্তা, লেখা ও জীবনদর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস। তাঁর নামে আয়োজিত এই সাহিত্য উৎসব সাহিত্যচর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, করামত আলীর সাহিত্য ও শিক্ষাভাবনা আমাদের মননে আজও প্রাসঙ্গিক। তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করে নিয়মিত সাহিত্য আয়োজন নতুন লেখকদের বিকাশে সহায়ক হবে।

 

সংবর্ধিত অতিথি কবি রাগিব হোসেন চৌধুরী বলেন, করামত আলী ছিলেন নির্লোভ, প্রজ্ঞাবান ও দায়বদ্ধ একজন শিক্ষক-সাহিত্যিক। শিক্ষা ও সাহিত্য—দুই ক্ষেত্রেই তিনি মানুষের ভেতরের মানুষটিকে জাগ্রত করতে চেয়েছেন। তাঁর সান্নিধ্যে আসা মানুষ আলোকিত না হয়ে ফিরতে পারেনি।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক প্রভাতবেলা সম্পাদক কবীর আহমদ সোহেল বলেন, করামত আলীর কবিতায় যেমন মানবিক বোধের গভীরতা ছিল, তেমনি তাঁর ব্যক্তিজীবনেও ছিল পরিমিতিবোধ ও সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আজকের সময়ে তাঁর আদর্শ আমাদের জন্য আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। তাঁর নামে আয়োজিত এই সাহিত্য উৎসব শুধু স্মরণ নয়, বরং নতুন প্রজন্মকে মানবিক ও সৃজনশীল চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস।

 

সভাপতির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কবি অধ্যক্ষ কালাম আজাদ মরহুম করামত আলীর স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, করামত আলী ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক ও সংবেদনশীল কবি, যাঁর জীবন ছিল নীরব সাধনা ও সৃজনশীলতার অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি কখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে চাননি, কিন্তু তাঁর চিন্তা ও কর্মের প্রভাব ছিল গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী। অধ্যক্ষ কালাম আজাদ আরও বলেন, করামত আলীর নামাঙ্কিত এই সাহিত্য উৎসব তাঁর স্মৃতির প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা জানানো এবং একই সঙ্গে তরুণ লেখকদের সৃজনশীল চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে মরহুম করামত আলীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি কবিতা ও ছড়াপাঠ, স্মৃতিচারণ ও সাহিত্য আড্ডার মধ্য দিয়ে উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কবি আমিনুল ইসলাম কাজল, পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি বাছিত ইবনে হাবীব, কথাসাহিত্যিক মোহাম্মদ আব্দুল হক, শেরপুর জেলা থেকে আগত কবি-গবেষক আশরাফ আলী চারু, দিশারী শিল্পীগোষ্ঠীর সাবেক পরিচালক কণ্ঠশিল্পী সানাউল ইসলাম সুয়েজ, শেকড়সন্ধানী কবি সরওয়ার ফারুকী, কবি কামাল আহমদ, প্রাবন্ধিক মাজহারুল ইসলাম জয়নাল, কবি আজমল আহমদ প্রমুখ। এছাড়া অর্ধশতাধিক কবি ও সাহিত্যিক কবিতা ও ছড়াপাঠের পাশাপাশি তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

 

অনুষ্ঠানে পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদেরকে পদক প্রদান করা হয়। এছাড়া ২০২৫ সালের বেস্টসেলার লেখকদেরকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। পাপড়ির স্বত্ত্বাধিকারী কথাসাহিত্যিক কামরুল আলম জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান পাপড়ি ভবিষ্যতেও করামত আলীর নীতি-আদর্শকে ধারণ করে নিয়মিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত রাখবে।

আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী জিল্লুর রহমান দিদার

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য উৎসব সম্পন্ন, করামত আলীর সাহিত্য ও শিক্ষাভাবনা আমাদের মননে আজও প্রাসঙ্গিক

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে তাঁকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তাঁর এই মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই জিল্লুর রহমান দিদার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, বিভাগীয় সমিতি ও ছাত্রকল্যাণমূলক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিশেষ করে ঢাকা শহরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

দীর্ঘদিনের সামাজিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

 

একাধিক শিক্ষা অনুরাগীরা বলেন,

জিল্লুর রহমান দিদার একজন শিক্ষানুরাগী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত মানুষ। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের দায়িত্ব দেওয়ায় আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, তাঁর উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।

 

সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার বলেন,আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল আমার কাছে অত্যন্ত আপন একটি প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

এদিকে স্থানীয় একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগী তাঁর এই মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, জিল্লুর রহমান দিদারকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় তাঁরা আনন্দিত। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

তাঁরা আরও বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতির পথে আরও এগিয়ে যাবে।

আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী জিল্লুর রহমান দিদার

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য উৎসব সম্পন্ন, করামত আলীর সাহিত্য ও শিক্ষাভাবনা আমাদের মননে আজও প্রাসঙ্গিক

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে তাঁকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তাঁর এই মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই জিল্লুর রহমান দিদার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, বিভাগীয় সমিতি ও ছাত্রকল্যাণমূলক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিশেষ করে ঢাকা শহরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

দীর্ঘদিনের সামাজিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

 

একাধিক শিক্ষা অনুরাগীরা বলেন,

জিল্লুর রহমান দিদার একজন শিক্ষানুরাগী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত মানুষ। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের দায়িত্ব দেওয়ায় আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, তাঁর উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।

 

সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার বলেন,আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল আমার কাছে অত্যন্ত আপন একটি প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

এদিকে স্থানীয় একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগী তাঁর এই মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, জিল্লুর রহমান দিদারকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় তাঁরা আনন্দিত। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

তাঁরা আরও বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতির পথে আরও এগিয়ে যাবে।

চলতি মাসেই করতোয়া নদীর খননকাজ শুরু হচ্ছে: বগুড়ায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য উৎসব সম্পন্ন, করামত আলীর সাহিত্য ও শিক্ষাভাবনা আমাদের মননে আজও প্রাসঙ্গিক

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, চলতি মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করতোয়া, গজারিয়া এবং ইছামতী নদীর খনন কাজ শুরু করব। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বগুড়ার মানুষ একটি নতুন ও রূপান্তরের শহর দেখতে পারবে।

 

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া জেলার এসপি ঘাটে করতোয়া নদী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনর্খননের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, তার প্রথম ছয় মাসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১০১ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

 

বগুড়ার নদী ও খাল পুনঃখনন উদ্যোগ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে করতোয়া, গজারিয়া এবং ইছামতী এই তিন নদী ও সংশ্লিষ্ট খালের জন্য একনেকে প্রায় ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকার একটি বাজেট পাস হয়েছে। এ প্রকল্পের অধীনে মোট ২৯৪ কিলোমিটার খনন করা হবে, যার মধ্যে প্রথম ধাপে ৬ কিলোমিটারের কাজ দিয়ে সূচনা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা ফিরে আসবে। এতে বগুড়া শহরের সৌন্দর্য কেবল বৃদ্ধিই পাবে না, পাশাপাশি সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ এবং জীববৈচিত্র্যে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। নদীর দুই পাড়েই দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় প্রকল্পের মাধ্যমে অবশিষ্ট অংশ খনন করা হবে।

 

বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বালু উত্তোলন বিগত দিনে বিভিন্ন সরকারের সময় থেকে চলে আসা একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। তবে, আমরা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রাস্ট বোর্ড (ডব্লিউআইও)-এর ইঞ্জিনিয়ারদের সারা বাংলাদেশের নদীগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরিপ করার দায়িত্ব দিয়েছি। কোন নদী থেকে বালু তোলা যাবে আর কোনটা থেকে যাবে না, তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সেই তালিকা প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসকদের সরবরাহ করা হবে। নদীর ভাঙন বা কোনো অবকাঠামোর ক্ষতি নিশ্চিত না হয়ে কোথাও বালু তুলতে দেওয়া হবে না। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হবে।

 

করতোয়া নদী পরিদর্শকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম. আহসানুল তৈয়ব জাকির ও জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।

 

নদী খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী জেলা যুব ভবন প্রাঙ্গণে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। কর্মসূচির শুরুতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে পুনরায় যুব ভবনে এসে শেষ হয়।

 

জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বগুড়ার যৌথ আয়োজনে যুব ভবনের হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ঋণের চেক, যুব সংগঠনের নিবন্ধন সনদ বিতরণ এবং জেলার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক ও সফল উদ্যোক্তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় যুব সমাজের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়।।

×