| ১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

কে এই ভয়ংকর প্রতারক সোহাগ, যেভাবে ফেলতেন ফাঁদে

কে এই ভয়ংকর প্রতারক সোহাগ, যেভাবে ফেলতেন ফাঁদে

আমিরুল ইসলাম (সোহাগ)-এর বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ ও স্বর্ণালংকার গ্রহণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে আস্থা অর্জনসহ নানা অভিযোগ তুলেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার কৌশলে নিজেকে অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করতেন সোহাগ। তার এই পরিকল্পিত কৌশল ও অভিনয়ক্ষমতার কারণে অনেক ভুক্তভোগী সহজেই তার পাতানো ফাঁদে পা দিতেন। এসব অভিযোগ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের গাড়াজান গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সোহাগ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে ছবি সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে বিত্তশালী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতেন। এছাড়া তার বাবা সংসদে কর্মরত এমন পরিচয় ব্যবহার করে মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে তার বাবা মফিজ উদ্দিন একজন সাধারণ কৃষক।

ভুক্তভোগী সাদিয়া নামে এক তরুণী জানান, ইংরেজি শেখার সময় সোহাগের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন, সোহাগ এর আগেও দুটি বিয়ে করেছিলেন, যা বিয়ের আগে তার কাছ থেকে গোপন রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন , আমার ছোট ভাই রিদওয়ান রিদুকে হাঙ্গেরিতে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসা প্রসেসিংয়ের কথা বলে সোহাগ নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের গলার চেইন গ্রহণ করেন, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বিদেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অর্থ ও পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন , প্রেমের সম্পর্কের অভিনয় করে বিত্তশালী নারীদের টার্গেট করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হতো। তার দাবি, গোপনে বিয়ের পর তাকে বাড়িতে নিয়ে গেলে সোহাগের মা তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

প্রতিবেশী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী দুদু মিয়া বলেন, সোহাগ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার কারণে এলাকায় আলোচিত ছিলেন। তিনি আরও দাবি করেন, ঈদের পর সোহাগ একটি স্বর্ণের চেইন এনে তার মাকে দেন। পরে সোহাগের মা পাশের বাড়ির ঐ প্রতিবেশী স্ত্রীকে জানান, তার ছেলে এক লাখ টাকা দিয়ে চেইনটি কিনেছেন। তবে পরবর্তীতে ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় প্রতারণার অভিযোগে সোহাগকে সাদিয়ার পরিবারের সদস্যরা আটক করলে, তাকে ছাড়িয়ে আনতে তার পরিবার ওই স্বর্ণের চেইন ও গরু বিক্রি করে ঢাকা টাকা পাঠায় বলে দাবী করেন দুদু মিয়া।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বলেন, টাঙ্গাইলের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তার ছোট ভাইকে বিদেশে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে প্রায় ৩ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কয়েকজন ব্যক্তি সোহাগকে খুঁজতে এলাকায় এসেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে, প্রাপ্ত আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথি অনুযায়ী, আমিরুল ইসলাম (সোহাগ)-এর বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ফুলবাড়ীয়া থানার সিআর নং-৬৩৭/২৩ মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩০৭, ৩৭৯ ও ৩৪ ধারায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া ফুলবাড়ীয়া থানার আরও একটি মামলাসহ ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-০২-এর সিআর নং-৩০৯/২৪ মামলাতেও তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির তথ্য নথিতে রয়েছে। একই সঙ্গে রংপুরে সিআর নং-১২০/২৬ মামলায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ওই মামলার অভিযোগ, ধারা ও বর্তমান অবস্থাসহ বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম (সোহাগ)-এর বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যুব সংগঠক হিসেবে জনসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেলো সবুজ বাংলার নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আলীম

কে এই ভয়ংকর প্রতারক সোহাগ, যেভাবে ফেলতেন ফাঁদে

সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেয়েছেন সবুজ বাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আব্দুল আলীম।

 

রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

 

খন্দকার আব্দুল আলীমের নেতৃত্বে কলসপাড় ইউনিয়নে শতভাগ স্যানিটেশন কভারেজ অর্জনে ভূমিকা রাখা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলা এবং এতিম, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

এছাড়া ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনরায় শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

 

অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল মালেক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু সাঈম,

নয়াবিল ইউপি চেয়ারম্যান

মিজানুর রহমান এবং উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আনারুল কবিরসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

 

বক্তারা যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে প্রশিক্ষণ, আত্মকর্মসংস্থান ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

 

জাতীয় যুব দিবসে এ সম্মাননা অর্জন করায় খন্দকার আব্দুল আলীমের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড আরো গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী জিল্লুর রহমান দিদার

কে এই ভয়ংকর প্রতারক সোহাগ, যেভাবে ফেলতেন ফাঁদে

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে তাঁকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তাঁর এই মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই জিল্লুর রহমান দিদার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, বিভাগীয় সমিতি ও ছাত্রকল্যাণমূলক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিশেষ করে ঢাকা শহরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

দীর্ঘদিনের সামাজিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

 

একাধিক শিক্ষা অনুরাগীরা বলেন,

জিল্লুর রহমান দিদার একজন শিক্ষানুরাগী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত মানুষ। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের দায়িত্ব দেওয়ায় আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, তাঁর উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।

 

সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার বলেন,আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল আমার কাছে অত্যন্ত আপন একটি প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

এদিকে স্থানীয় একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগী তাঁর এই মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, জিল্লুর রহমান দিদারকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় তাঁরা আনন্দিত। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

তাঁরা আরও বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতির পথে আরও এগিয়ে যাবে।

আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী জিল্লুর রহমান দিদার

কে এই ভয়ংকর প্রতারক সোহাগ, যেভাবে ফেলতেন ফাঁদে

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে তাঁকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তাঁর এই মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই জিল্লুর রহমান দিদার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, বিভাগীয় সমিতি ও ছাত্রকল্যাণমূলক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিশেষ করে ঢাকা শহরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

দীর্ঘদিনের সামাজিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

 

একাধিক শিক্ষা অনুরাগীরা বলেন,

জিল্লুর রহমান দিদার একজন শিক্ষানুরাগী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত মানুষ। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের দায়িত্ব দেওয়ায় আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, তাঁর উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।

 

সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার বলেন,আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল আমার কাছে অত্যন্ত আপন একটি প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

এদিকে স্থানীয় একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগী তাঁর এই মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, জিল্লুর রহমান দিদারকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় তাঁরা আনন্দিত। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

তাঁরা আরও বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতির পথে আরও এগিয়ে যাবে।

×