| ১৭ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

অতিরিক্ত প্রবেশমূল্য ও অবকাঠামোগত বেহাল দশায় পর্যটক হারাচ্ছে মধুটিলা ইকোপার্ক

অতিরিক্ত প্রবেশমূল্য ও অবকাঠামোগত বেহাল দশায় পর্যটক হারাচ্ছে মধুটিলা ইকোপার্ক

পাহাড়, টিলা আর সবুজের হাতছানিতে ঘেরা প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্ক। মেঘালয়ের কোল ঘেঁষা শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী পোঁড়াগাও ইউনিয়নে প্রায় ৩৮০ একর বনভূমি নিয়ে ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করেছিল পর্যটন কেন্দ্রটি। প্রতিষ্ঠার পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসতেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু। তবে দীর্ঘদিনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পার্কটি এখন তার ঐতিহ্য ও জৌলুশ হারাতে বসেছে।

২০০৪ সালে পার্কটির প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন করার পর গত দুই দশকে আর কোনো বড় ধরনের উন্নয়ন বা সংস্কার কাজ করা হয়নি। সময়ের সাথে সাথে পর্যটকদের প্রত্যাশা বাড়লেও উল্টো কমেছে অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা। সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কের তথ্য ও প্রদর্শনী কেন্দ্রগুলো এখন তালাবদ্ধ কিংবা ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে। তথ্য কেন্দ্রটিতে বর্তমানে এক ভবঘুরে বসবাস করছে এবং ভেতরের পরিবেশ নোংরা করে রেখেছে।

ইকোপার্কটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল পশু-পাখির ভাস্কর্য ও বিনোদন ব্যবস্থা। কিন্তু পরিচর্যার অভাবে হাতি, বাঘ, হরিণসহ বিভিন্ন ভাষ্কর্যগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নামে ‘মিনি চিড়িয়াখানা’ হলেও সেখানে দেখা মেলেনি কোনো পশু-পাখির; উল্টো প্রবেশগেটে ঝুলছে তালা। শিশুদের বিনোদনের রাইডগুলো সম্পূর্ণ অকেজো। এছাড়া পার্কের কৃত্রিম লেক, ওয়াচ টাওয়ার এবং শৌচাগারগুলোর অবস্থাও চরম জরাজীর্ণ।

ফি বৃদ্ধিতে পর্যটকদের ক্ষোভ:

এমন চরম অব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুবিধার ঘাটতির মাঝেই হঠাৎ পার্কের প্রবেশমূল্য ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে। কোনো প্রকার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বা সেবার মান না বাড়িয়ে একলাফে টিকিট ফি পাঁচগুণ বৃদ্ধি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা। বাধ্য হয়ে অনেক পর্যটক ক্ষোভ নিয়ে পার্কের মূল ফটক থেকেই ফিরে যাচ্ছেন।

ক্ষুব্ধ এক দর্শনার্থী জানান, “পার্কের ভেতরে হাঁটার মতো ন্যূনতম পরিবেশ নেই, রাইডগুলো সব ভাঙা। শৌচাগার ও খাওয়ার পানির তীব্র সংকট। কোনো নতুন সুযোগ-সুবিধা না দিয়ে হঠাৎ টিকিট ফি ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা একদম অন্যায়।”

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:

ইকোপার্কের বর্তমান পরিস্থিতি ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে মধুটিলা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল করিম জানান, ২০০৪ সালের পর পার্কটিতে আর কোনো বড় উন্নয়ন কাজ হয়নি। দীর্ঘদিনের পুরনো এসব স্থাপনা জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, “পার্কটি সংস্কার ও উন্নয়নের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে স্থানীয় এমপি মহোদয়কে জানানো হবে, যাতে বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে পার্কটির পুরোনো রূপ ফিরিয়ে এনে আবার পর্যটকদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হয়।”

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্ক। সঠিক তদারকি, নিয়মিত পরিচর্যা ও দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে সীমান্তবর্তী এই ইকোপার্কটি আবারও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় অধিবাসী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের।

নালিতাবাড়ীর আলোর ফেরিওয়ালা সেকান্দার আলী তালুকদার শীর্ষক পাঠচক্র 

অতিরিক্ত প্রবেশমূল্য ও অবকাঠামোগত বেহাল দশায় পর্যটক হারাচ্ছে মধুটিলা ইকোপার্ক

শেরপুরের নালিতাবাড়ীর সেঁজুতি অঙ্গনে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণে পাঠ’ এই শ্লোগানে একুশে পাঠচক্রের নিয়মিত আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে

‘ পাহাড়ি জনপদের কিংবদন্তী আলোর ফেরিওয়ালা সেকান্দার আলী তালুকদার ‘ শিরোনামে একুশে পাঠচক্রের ১৫৫তম আসরে শিক্ষক ছোট কাগজ কণ্ঠস্বর এর প্রধান সম্পাদক জয়জিৎ দত্ত শ্যামল এর সভাপতিত্বে বক্তব্য উপস্থাপন করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী নালিতাবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট সুধাংশু কালোয়ার ,বীর মুক্তিযোদ্ধা ,সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান ও সেকান্দার আলী তালুকদার এর কনিষ্ঠ পুত্র সাদরুল আহসান মাসুম। সভা সঞ্চালনা করেন সংস্কৃতিমান মানিক সাহা।

 

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিকর্মী আমিনুল ইসলাম, শিক্ষক মনি গাঙ্গুলি, শঙ্করী পাঠক, শারমিন আক্তার, তাসমেরী, অমিত চক্রবর্তী, পুজা সরকার, সেতু আচার্য, সুজাতা প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন,সেকান্দার আলী তালুকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।শিক্ষা শেষে প্রথমে রেলওয়েতে চাকরি পান,সরকারি চাকরিতে যোগদান না করে এলাকায় প্রাচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তারাগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন।এবং নিজের জমি দান করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত শহীদ নাজমুল আহসান। বাংলাদেশ কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ নাজমুল আহসান হল রয়েছে।সেকান্দার আলী তালুকদারদের জন্যই পিছিয়ে থাকা পাহাড়ি জনপদের মানুষ আলোর পথের দিশা পেয়েছে। দ্বিতীয় পর্বে কবিতা আবৃত্তি করেন শিশু শিক্ষার্থীরা।

নালিতাবাড়ীতে এক হাজার কেজি সার জব্দ, ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

অতিরিক্ত প্রবেশমূল্য ও অবকাঠামোগত বেহাল দশায় পর্যটক হারাচ্ছে মধুটিলা ইকোপার্ক

সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে অন্য উপজেলায় বিক্রির অভিযোগে

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে

এক হাজার কেজি টিএসপি ও এমওপি সার জব্দ করে প্রশাসনের নিকট হস্তান্তর করেছেন স্থানীয় জনতা।

 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার বাইটকামারী হাজির বাজার এলাকায় এসব সার জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জব্দ করা সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রয় করা হয়। পরে বিক্রয়কৃত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

 

এই ঘটনায় সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে সার বিক্রেতা ও পরিবেশক মেসার্স আজিম ট্রেডার্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল মালেক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমানসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নালিতাবাড়ীতে স্বাস্থ্যসেবার উদ্দেশ্যে আহাম্মদ আলী তালুকদার কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন

অতিরিক্ত প্রবেশমূল্য ও অবকাঠামোগত বেহাল দশায় পর্যটক হারাচ্ছে মধুটিলা ইকোপার্ক

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে আহাম্মদ আলী তালুকদার কমিউনিটি ক্লিনিক এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের সালেহাবাদ (কৃষ্ণপট্টি) গ্রামে স্বাস্থ্য সেবার জন্য ক্লিনিকটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নালিতাবাড়ী উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল মালেক ও বিশেষ অতিথি হিসেবে  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা

 

ডা. জুনায়েদ আব্দুল কাইয়ুম উপস্থিত ছিলেন।

 

 

অত্র কমিউনিটি ক্লিনিকের (জমিদাতা) আলহাজ্ব আহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে ও ক্লিনিকের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল রানা মিঠুর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাজনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা।

 

 

ক্লিনিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

×