| ৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

১৫ স্ত্রী ৩০ সন্তান ১০০ ভৃত্য নিয়ে আবুধাবিতে রাজা, বিমানবন্দরে সাময়িক বিঘ্ন

১৫ স্ত্রী ৩০ সন্তান ১০০ ভৃত্য নিয়ে আবুধাবিতে রাজা, বিমানবন্দরে সাময়িক বিঘ্ন

এ যেন মেলা বসেছে। ইসোয়াতিনির রাজা মসোয়াতি তৃতীয়ের আবুধাবিতে আগমনের একটি পুরনো ভিডিও আফ্রিকান রাজার অসাধারন জীবনযাত্রার প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। জুলাই মাসে প্রথম প্রকাশিত এই ভিডিওটিতে আবুধাবি বিমানবন্দরে রাজার একাধিক স্ত্রী এবং বিশাল সফরসঙ্গীর বহর দেখানো হয়েছে।

 

ভিডিওতে দেখা গেছে, রাজা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে একটি ব্যক্তিগত বিমান থেকে নেমে আসছেন। মার্জিত পোশাক পরা একদল নারী তার পিছু পিছু আসছেন। ক্লিপের উপরে লেখা আছে, ‘সোয়াজিল্যান্ডের রাজা ১৫ জন স্ত্রী এবং ১০০ জন ভৃত্য নিয়ে আবুধাবিতে এসে পৌঁছেছেন। তার পিতা, রাজা দ্বিতীয় সোভুজার ১২৫ জন স্ত্রী ছিলেন।’

 

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবুধাবি ভ্রমণের সময় রাজা মসোয়াতি তৃতীয়ের সঙ্গে তার ৩০ জন সন্তানও ছিলেন। রাজার এই বিশাল প্রতিনিধিদলটি বিমানবন্দরে সাময়িক বিঘ্ন ঘটায় বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজকীয় দলের নিরাপত্তার জন্য একাধিক টার্মিনাল বন্ধ করে দিতে হয়।

 

এদিকে, এই ভিডিও ভাইরাল হতেই রাজাকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী রাজা মসোয়াতি তৃতীয়ের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা এবং দেশের নাগরিকদের দৈনন্দিন সংগ্রামের মধ্যে স্পষ্ট বৈপরীত্য তুলে ধরেছেন।

 

একজন ব্যবহারকারী বলেন, ‘এত বিলাসিতা, অন্যদিকে দেশের নাগরিকদের ঘরে বিদ্যুৎ নেই।’ অন্য একজন প্রশ্ন করেছেন, ‘আফ্রিকা কী এত ধনী দেশ যে কেউ একজন ব্যক্তিগত জেট কিনতে পারবেন?’ অনেকে আরও তীব্র ভাষায় রাজার বাড়াবাড়ির নিন্দা করেছেন। একজন ক্ষুব্ধ ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এই ব্যক্তি ব্যক্তিগত বিমানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন যখন তার দেশের লোকেরা অনাহারে মারা যাচ্ছেন।’ আরেকজন আবার মন্তব্য করেছেন, ‘তারা আবার আফ্রিকার শিশুদের খাওয়ানোর জন্য অর্থ চায়।’ একজন মজার ছলে প্রশ্ন করেছেন, ‘তার বাড়িতে কী এমন কোনো সমন্বয়কারী আছেন যিনি তার সব স্ত্রীদের সামলান?’

 

রাজা মসোয়াতি তৃতীয়ের সম্পত্তি

 

রাজা তৃতীয় মসোয়াতি ১৯৮৬ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার ছোট্ট দেশ ইসোয়াতিনি শাসন করছেন। একাধিক প্রতিবেদন অনুসারে, তার ব্যক্তিগত সম্পদ ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। কিন্তু দেশটি ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা, সরকারি হাসপাতালে ওষুধের ঘাটতি এবং আর্থিকভাবে সংকটাপন্ন শিক্ষার্থীদের অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতার মুখোমুখি হচ্ছে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক জানিয়েছে যে ২০২১ সালে বেকারত্ব ২৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩.৩ শতাংশ হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

সোয়াজিল্যান্ড নিউজের খবরে বলা হয়েছে, রাজা নির্মাণ, পর্যটন, কৃষি, টেলিযোগাযোগ এবং বনাঞ্চলের মতো বিভিন্ন কোম্পানিতে শেয়ারের মালিক। রাজা মসোয়াতি তার জাকজমকপূর্ণ জীবনধারা এবং ঐতিহ্যবাহী রাজকীয় রীতিনীতির জন্য পরিচিত। তিনি প্রতি বছর রিড নৃত্য অনুষ্ঠানে একজন নতুন কনে নির্বাচন করেন বলে জানা যায়। এটি একটি শতাব্দী প্রাচীন রীতি যা একাধারে প্রশংসা এবং সমালোচিতও। রাজপরিবারের প্রচুর সম্পদ থাকলেও, দেশের বেশিরভাগ নাগরিকের জীবনযাত্রা ভিন্ন গল্প বলে। নানা প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে যে, ইসোয়াতিনির প্রায় ৬০ শতাংশ জনসংখ্যা দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করে।

সান্তাহারে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করায় পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

১৫ স্ত্রী ৩০ সন্তান ১০০ ভৃত্য নিয়ে আবুধাবিতে রাজা, বিমানবন্দরে সাময়িক বিঘ্ন

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে পাঁচ ব্যবসায়ীকে মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসাথে সিমলা আবাসিক হোটেল তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। সোমবার দুপুরে সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সান্তাহার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান তালুকদার, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক জামাল উদ্দিনসহ পুলিশ সদস্যরা।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় কয়েক বছর ধরে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এ বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে একাধিকবার ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য তাগিদ দেওয়া হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তা উপেক্ষা করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

 

ফলে পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স খাত থেকে প্রত্যাশিত রাজস্ব আদায় ব্যাহত হয়৷ এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে লাইসেন্স নবায়ন না করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে আকরাম হোসেনকে ২ হাজার টাকা, জাহাঙ্গীরকে ৫০০ টাকা, সাবরিনাকে ৫০০ টাকা, আহসান হাবীবকে ১ হাজার টাকা এবং আবু সাঈদকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া সিমলা আবাসিক হোটেল তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পৌরসভার রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের নিয়মিত লাইসেন্স নবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

সান্তাহার থেকে গাবতলীর তিন এলএসডিতে গেল শুধু কাগজ, অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে

১৫ স্ত্রী ৩০ সন্তান ১০০ ভৃত্য নিয়ে আবুধাবিতে রাজা, বিমানবন্দরে সাময়িক বিঘ্ন

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তিনটি এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুরাতন চাল কারবারি চক্র যোগসাজস করে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের শতাধিক টন সরকারি চাল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

জানা গেছে, বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের আভ্যন্তরীণ চলাচল সুচি নং ১৭, তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে ২০২৫/২০২৬ আমন এর আওতায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার এলএসডি থেকে জেলার গাবতলী উপজেলার তিনটি এলএসডিতে প্রায় সাড়ে ছয়শত মেট্টিক টন আমন চাল পাঠানোর জন্য আইআরটিসি (আভ্যন্তরীন চলাচল) সুচি গ্রহন করা হয়।

 

সুচি মোতাবেক সান্তাহার এলএসডি থেকে মোট ৬ শত সাড়ে ৪৩ মেট্টিক টনের মধ্যে গাবতলী সদর এলএসডিতে ১৯৮ মেট্টিক টন, একই উপজেলার সাবেকপাড়া এলএসডিতে ১৯৮ মেট্টিক টন, ও সুখানপুকুর এলএসডিতে ২শত সাড়ে ৪৭ মেট্টিক টনের সুচি ছিল। এই সুচির চাল প্রেরণ ও প্রাপ্তির শেষ তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর সান্তাহার এলএসডি থেকে সাতটি ভি- ইনভয়েস মাধ্যমে একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক চালের কাগজপত্র তৈরি করা হয়।

 

এরপর কাগজে-কলমে চালগুলো প্রেরণ এবং প্রাপ্তি দেখিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয় গাবতলীর সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের চালের কারবারি মোস্তাক আহমেদের নিকট। পুর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ২০ সেপ্টেম্বর সান্তাহার এলএসডি খাদ্য গুদামে আসেন অবৈধ চালের কারবারি মোস্তাক আহমেদ। সান্তাহার এলএসডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তার সহকারী কর্তৃক কাগজে কলমে একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক চাল ওই তিন এলএসডিতে প্রেরণ ও পরিবহন ঠিকাদার কর্তৃক গ্রহন করা দেখানো হয়। এরপর চাল না দিয়ে শুধু ভি-ইনভয়েস কাগজ দেওয়া হয় মোস্তাক আহেমেদর হাতে ।

 

তিনি কাগজগুলো নিয়ে গিয়ে জমা দেয় ওই তিন এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট। চালগুলো মোস্তাকের নিকট পুর্বেই বিক্রি করে দিয়ে রাখে ওই তিন এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ফলে তারা সান্তাহার এলএসডি থেকে শুধু ওই পরিমান চাল গ্রহন করার কাগজপত্র তথা ভি- ইনভয়েস গ্রহন করেন। পক্ষান্তরে চালগুলো রয়ে যায় সান্তাহার এলএসডির ৯ নম্বর গুদামে। ঘটনার দুই দিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর সান্তাহারের চালকল মালিক মতিউর রহমান স্বপন ঢাকা মেট্রো/ ট ১৪-৯৩২৮, ১৮-৪৯৩৯, ১৪-৫৮৯৪ ও ১৬-৫৫২৩ নম্বর ট্রাক দিয়ে সান্তাহার এলএসডির ৯ নম্বর গুদাম থেকে চালগুলো তার ব্যবসা কেন্দ্রে নিয়ে যায় বলে তথ্য মিলেছে।

 

এদিকে প্রেরণ ও প্রাপ্তি সময়ের শেষ দিন একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক টন চাল পাঠানোর জন্য তৈরি করা ভি- ইনভয়েসে নং ৪১৭২৭২৮ ও ৪১৭২৭৪০সহ সাতটি ভি- ইনভয়েজে যেসব ট্রাক নম্বর দেওয়া হয়েছে সেগুলো ভুয়া বলে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ঘটনার দিন ও সময়ে ঢাকা মোট্রো/১৪-৭৭৯৩সহ সাতটি ট্রাক সান্তাহার এলএসডিতে প্রবেশ করেনি। ট্রাক গুলো পুর্রের অন্য এক চলাচল সুচির সময় ব্যবহার করেছিলেন পরিবহন ঠিকাদার। এদিকে, এই একশত সাড়ে ১৫ মেট্টিক টন চাল সান্তাহারের চাল কারবারি স্বপনের কাছে সরবরাহ করার সময় সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মিয়া প্রতি কেজি আড়াই টাকা হিসাবে প্রায় তিন লাখ টাকা এবং সহকারী খাদ্য পরিদর্শক রাজু আহমেদ ট্রাক প্রতি দশ হাজার টাকা হিসাবে ৭০ হাজার ‘উপরি’ নিয়ে বেছে বেছে অপেক্ষাকৃত ভালো মানের তথা আমনের স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা চাল সরবরাহ করেছেন বলেও প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে।

 

এবিষয়ে গাবতলী উপজেলা সদর, উপজেলার সুখানপুকুর ও সাবেকপাড়া এলএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যথাক্রমে আব্দুল আলিম, দেবায়ন বাগচি ও শাকিল হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগের তথ্য সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।

 

সুচির সব বুঝে নিয়েছি এবং খাদ্য বান্ধব ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন কর্মসুচিতে সরবরাহ করেছি। এদিকে সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মিয়া সদ্য সমাপ্ত বোরো খাদ্য শস্য সংগ্রহ মৌসুমে মতিউর রহমান স্বপন নামে সান্তাহারের চালকল মালিক এর নিকট থেকে প্রতি কেজি আড়াই টাকা হিসাবে মোট সোয়া ৬ লাখ টাকা নিয়ে ২৫০ মেট্টিক টন আমন চাল বের করে দিয়ে বোরো চাল নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এসময় এলএসডির উপপরির্দশক রাজু আহমেদ ২৫০ টন তথা ১৪ ট্রাক চাল বদল করে দেওয়া নেওযার জন্য স্বপনের নিকট থেকে ট্রাক প্রতি ৫ হাজার টাকা করে ‘উপরি’ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে সাক্ষাতে যোগাযোগ করা হলে সান্তাহার এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলী মিয়া সাংবাদিকদের বলেন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও বানোয়াট, উক্ত অভিযোগের সাথে আমাদের কার্ক্রমের কোন মিল নাই বলেও দাবি করেন।

জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

১৫ স্ত্রী ৩০ সন্তান ১০০ ভৃত্য নিয়ে আবুধাবিতে রাজা, বিমানবন্দরে সাময়িক বিঘ্ন

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১ নভেম্বর (রবিবার) সকাল ১০টায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

 

WMC কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে আলোচনা পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস ও আবুল আসলাম তুহিন।

 

দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বিপুল সংখ্যক মৎস্যচাষি অংশ নেন। প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্যচাষের বিভিন্ন ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকার মৎস্য খাত ঝুঁকিতে পড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় চাষিদের আধুনিক কৌশলে অভ্যস্ত করা এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

 

‘ওয়েটল্যান্ড ফর রেজিলিয়েন্স’ প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ডরপ’ (DORP)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংস্থাটির প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল মোতালেব ও মোঃ কবির হোসেন।

×