| ১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

১৭ বছরের জমি বিরোধের অবসান: শশীভূষণ থানা পুলিশের সুষ্ঠু ভূমিকা

১৭ বছরের জমি বিরোধের অবসান: শশীভূষণ থানা পুলিশের সুষ্ঠু ভূমিকা

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলা জমি সংক্রান্ত বিরোধের অবসান ঘটেছে। শশীভূষণ থানা পুলিশের সুষ্ঠু ভূমিকা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অবশেষে এই বিরোধের সমাধান হয়।

 

জানা যায়, বহু বছর আগে জানপুর এলাকার বাসিন্দা গনি মেস্ত্রি তার মালিকানাধীন ৮৮ শতাংশ জমি বিক্রি করেন হাজারীগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাজী ইদ্রিস মিয়া ও তার ভাইয়ের কাছে। বিক্রির পর থেকে জমিটি হাজী ইদ্রিস মিয়ার দখলেই ছিল।

 

তবে ২০০৮ সালে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে গনি মেস্ত্রির ছেলে উজুল্লাহ মিয়া এবং তার বংশধারা থেকে কয়েকজন দাবি করেন, মৃত গনি মেস্ত্রি নাকি পুরো জমি বিক্রি করেননি। এ দাবি ঘিরে হাজী ইদ্রিস মিয়ার পরিবারকে বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়। সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম হাওলাদারের উদ্যোগে একাধিকবার স্থানীয় সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান মেলেনি।

 

সম্প্রতি আবারও হাজী ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হয়। পরে শশীভূষণ থানার এসআই ইয়াকুব মিয়া নিজ উদ্যোগে বিষয়টি তদন্ত করে দেখেন। ২৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সকালে সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে জমির পরিমাপ করেন।

 

পরিমাপ শেষে দেখা যায়, মোট ৮৮ শতাংশ জমি বিক্রির চুক্তি অনুযায়ীই রয়েছে, কোনো অতিরিক্ত জমি নেই। এ অবস্থায় এসআই ইয়াকুব মিয়া উপস্থিত সকলের সামনে ফয়সালা দেন যে, হাজী ইদ্রিস মিয়া ও তার পরিবার বৈধ মালিক, এবং এ বিষয়ে ভবিষ্যতে কেউ যেন তাদের হয়রানি না করে।

 

হাজী ইদ্রিস মিয়া ও তার ছেলে আব্দুর রহিম হাজারী দীর্ঘ ১৭ বছর পর এই রায়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। তারা এসআই ইয়াকুব ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,দীর্ঘদিন আমাদের পরিবারকে হয়রানি করা হয়েছে। অবশেষে সত্যের জয় হয়েছে। ইয়াকুব দারোগা সঠিকভাবে তদন্ত করে আমাদের ন্যায়বিচার দিয়েছেন।”

 

স্থানীয় বাসিন্দারাও এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পুলিশের এমন নিরপেক্ষ ভূমিকা এলাকায় ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী জিল্লুর রহমান দিদার

১৭ বছরের জমি বিরোধের অবসান: শশীভূষণ থানা পুলিশের সুষ্ঠু ভূমিকা

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে তাঁকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তাঁর এই মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই জিল্লুর রহমান দিদার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, বিভাগীয় সমিতি ও ছাত্রকল্যাণমূলক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিশেষ করে ঢাকা শহরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

দীর্ঘদিনের সামাজিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

 

একাধিক শিক্ষা অনুরাগীরা বলেন,

জিল্লুর রহমান দিদার একজন শিক্ষানুরাগী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত মানুষ। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের দায়িত্ব দেওয়ায় আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, তাঁর উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।

 

সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার বলেন,আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল আমার কাছে অত্যন্ত আপন একটি প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

এদিকে স্থানীয় একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগী তাঁর এই মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, জিল্লুর রহমান দিদারকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় তাঁরা আনন্দিত। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

তাঁরা আরও বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতির পথে আরও এগিয়ে যাবে।

আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন শিক্ষানুরাগী জিল্লুর রহমান দিদার

১৭ বছরের জমি বিরোধের অবসান: শশীভূষণ থানা পুলিশের সুষ্ঠু ভূমিকা

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে তাঁকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তাঁর এই মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই জিল্লুর রহমান দিদার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, বিভাগীয় সমিতি ও ছাত্রকল্যাণমূলক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিশেষ করে ঢাকা শহরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

দীর্ঘদিনের সামাজিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

 

একাধিক শিক্ষা অনুরাগীরা বলেন,

জিল্লুর রহমান দিদার একজন শিক্ষানুরাগী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত মানুষ। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে আছিম আইডিয়াল হাই স্কুলের দায়িত্ব দেওয়ায় আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, তাঁর উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে।

 

সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার বলেন,আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল আমার কাছে অত্যন্ত আপন একটি প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত করা, শিক্ষার সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

এদিকে স্থানীয় একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষানুরাগী তাঁর এই মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, জিল্লুর রহমান দিদারকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় তাঁরা আনন্দিত। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

তাঁরা আরও বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোঃ জিল্লুর রহমান দিদার তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় আছিম আইডিয়াল হাই স্কুল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতির পথে আরও এগিয়ে যাবে।

চলতি মাসেই করতোয়া নদীর খননকাজ শুরু হচ্ছে: বগুড়ায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

১৭ বছরের জমি বিরোধের অবসান: শশীভূষণ থানা পুলিশের সুষ্ঠু ভূমিকা

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, চলতি মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করতোয়া, গজারিয়া এবং ইছামতী নদীর খনন কাজ শুরু করব। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বগুড়ার মানুষ একটি নতুন ও রূপান্তরের শহর দেখতে পারবে।

 

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া জেলার এসপি ঘাটে করতোয়া নদী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনর্খননের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, তার প্রথম ছয় মাসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১০১ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

 

বগুড়ার নদী ও খাল পুনঃখনন উদ্যোগ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে করতোয়া, গজারিয়া এবং ইছামতী এই তিন নদী ও সংশ্লিষ্ট খালের জন্য একনেকে প্রায় ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকার একটি বাজেট পাস হয়েছে। এ প্রকল্পের অধীনে মোট ২৯৪ কিলোমিটার খনন করা হবে, যার মধ্যে প্রথম ধাপে ৬ কিলোমিটারের কাজ দিয়ে সূচনা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা ফিরে আসবে। এতে বগুড়া শহরের সৌন্দর্য কেবল বৃদ্ধিই পাবে না, পাশাপাশি সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ এবং জীববৈচিত্র্যে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। নদীর দুই পাড়েই দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় প্রকল্পের মাধ্যমে অবশিষ্ট অংশ খনন করা হবে।

 

বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বালু উত্তোলন বিগত দিনে বিভিন্ন সরকারের সময় থেকে চলে আসা একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। তবে, আমরা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রাস্ট বোর্ড (ডব্লিউআইও)-এর ইঞ্জিনিয়ারদের সারা বাংলাদেশের নদীগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরিপ করার দায়িত্ব দিয়েছি। কোন নদী থেকে বালু তোলা যাবে আর কোনটা থেকে যাবে না, তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সেই তালিকা প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসকদের সরবরাহ করা হবে। নদীর ভাঙন বা কোনো অবকাঠামোর ক্ষতি নিশ্চিত না হয়ে কোথাও বালু তুলতে দেওয়া হবে না। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হবে।

 

করতোয়া নদী পরিদর্শকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম. আহসানুল তৈয়ব জাকির ও জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।

 

নদী খনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী জেলা যুব ভবন প্রাঙ্গণে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। কর্মসূচির শুরুতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে পুনরায় যুব ভবনে এসে শেষ হয়।

 

জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বগুড়ার যৌথ আয়োজনে যুব ভবনের হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ঋণের চেক, যুব সংগঠনের নিবন্ধন সনদ বিতরণ এবং জেলার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক ও সফল উদ্যোক্তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় যুব সমাজের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়।।

×