| ৩ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

দুই বছর পেরোলেও মেলেনি বিচার: অঝোরে কাঁদেন শহীদ মাহবুবের মা

দুই বছর পেরোলেও মেলেনি বিচার: অঝোরে কাঁদেন শহীদ মাহবুবের মা

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে উত্তাল ছিল শেরপুরের খরমপুর এলাকা। সেদিন জেলা প্রশাসনের তৎকালীন এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বহনকারী দ্রুতগতির গাড়ি পিষে দিয়ে যায় শিক্ষার্থী মাহবুব আলমকে। ঘটনাস্থলেই নিভে যায় একটি তাজা প্রাণ।

নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত বিচার মেলেনি মাহবুবের পরিবারের। অভিযোগ উঠেছে, আইনি গ্যাঁড়াকল আর ‘দায়সারা’ চার্জশিটের বেড়াজালে আটকে আছে শহীদ মাহবুবের রক্তের ঋণ।

 

ধুলো জমেছে বইয়ে, চোখে জমেছে জল

হত্যাকাণ্ডের দুই বছর পার হলেও শেরপুরের পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চৈতনখিলা গ্রামের শহীদ মাহবুবের বাড়িতে থামেনি শোকের মাতম। ঘরের এক কোণে মাহবুবের পড়ার টেবিল ও বইপত্রগুলো আজ ধুলোবালি মাখা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মা মোছা. মাফুজা খাতুন এখনো ছেলের ছবি বুকে জড়িয়ে অঝোরে কেঁদে চলেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাফুজা খাতুন বলেন,

“সেদিন আমার ছেলে শহরের কলেজ মোড় এলাকায় আইটি সেন্টারে ক্লাস নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। সেখানে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়ে মিছিলে সামিল হয় সে। মিছিল চলাকালে ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি এসে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং ঘটনাস্থলেই ও মারা যায়। আমি বাড়ি থেকে খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখি ট্রলিতে পড়ে আছে আমার বাবার লাশ। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক কঠিন শাস্তি চাই।”

 

পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীন চার্জশিট ও নানা আইনি জটিলতার কারণে অপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া ঝুলে আছে। স্বজনদের আকুল দাবি—অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

 

মামলার বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে শেরপুর জেলা পুলিশ সুপার এ, কে, এম জহিরুল ইসলাম জানান, মাহবুব আলম হত্যা মামলায় মোট ১৫০ জন এজাহারনামীয় আসামি রয়েছে। যার মধ্যে ইতিমধ্যে ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকিদের আইনের আওতায় আনতে জোর তৎপরতা চলছে। বিষয়টি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধিকতর তদন্ত করে দেখছে।

শেরপুরে সেফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত:২৩ বিজয়ী পুরস্কৃত

দুই বছর পেরোলেও মেলেনি বিচার: অঝোরে কাঁদেন শহীদ মাহবুবের মা

শিশুদের মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রতিভার বিকাশের লক্ষ্যে শেরপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চিলড্রেন কম্পিটিশন ২০২৬’। ‘সেফ ফাউন্ডেশন’-এর পরিচালনায় এবং ‘শাহীন স্কুল সজবরখিলা’-এর সার্বিক সহযোগিতায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের মূল বিষয় ছিল ‘বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা রং করা’। প্রতিযোগিতাটির বিশেষত্ব ছিল, এটি মূলত স্কুলে যায় না এমন শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়। শেরপুরের প্রায় দুই শতাধিক শিশু এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের আঁকার প্রতিভা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরে।

 

আয়োজন শেষে নিরপেক্ষ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারীসহ মোট ২৩ জন বিজয়ী শিশুকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাকি শিশুদের মধ্যেও তুলে দেওয়া হয় বিশেষ উপহার ও উৎসাহমূলক স্মারক।

আয়োজকদের মতে, বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের আনন্দময় ও শিক্ষামূলক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করতেই এ উদ্যোগ। তারা বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে প্রতিযোগিতার কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত ও বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুদের জন্য এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

 

নজরুল বর্ষে আসছে জনপ্রিয় কথা ও শিশুসাহিত্যিক তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’

দুই বছর পেরোলেও মেলেনি বিচার: অঝোরে কাঁদেন শহীদ মাহবুবের মা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উপলক্ষে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথা ও শিশুসাহিত্যিক শাম্মী তুলতুলের নতুন প্রবন্ধের বই “ছোটদের নজরুল”।

 

তিনি বড়দের পাশাপাশি শিশুসাহিত্য নিয়েও লেখালেখি করে প্রচুর সুনাম অর্জন করেছেন।ইতিমধ্যে বইটির অফিশিয়ালি প্রচ্ছদ প্রকাশ পেয়েছে। প্রচ্ছদ করেছেন সোহানুর রহমান অনন্ত।আর বইটি প্রকাশিত হবে শীর্ষ প্রকাশনী সংস্থা “বইপত্র প্রকাশন” থেকে। তাছাড়া তুলতুল দেশের প্রথম সারির পত্রিকায় লেখালেখি করে দেশে ও আন্তর্জাতিক

অঙ্গনেও খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি ভারতেও লেখালেখি করে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

তার জন্ম চট্টগ্রাম শহরে।

 

এই পর্যন্ত তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা বাংলাদেশ,ভারত মিলিয়ে ১৭ টি। তিনি লেখালেখির অবদানের জন্য পেয়েছেন অসংখ্য জাতীয় আর আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

বইটির লেখক তুলতুল

এ সাংবাদিককে বলেন, তথ্য ভিত্তিক বই লেখা খুব পরিশ্রমের আর বাচ্চাদের বই মানে আরও বিশেষ নজর দিতে হয় লেখাতে। নজরুল কে নিয়ে এটি আমার ২য় বই প্রকাশ হবে যদি সব কিছু অনুকূলে থাকে। আমার নতুন প্রকাশক মাহবুবুর রহমান বাবু ভাইয়ার প্রতি আমি অনেক কৃতজ্ঞ, তিনি আমাকে স্পেশাল সুযোগ দিয়েছেন।

নালিতাবাড়ীতে নানা উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন সাংসদ ফাহিম চৌধুরী

দুই বছর পেরোলেও মেলেনি বিচার: অঝোরে কাঁদেন শহীদ মাহবুবের মা

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিলামপট্টি সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপারেশন থিয়েটার চালুর লক্ষ্যে আইসোফ্লোরেন চেম্বার উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ ও পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এসব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী।

 

দিনের শুরুতে নালিতাবাড়ী পৌরসভার উদ্যোগে নিলামপট্টি সড়কের উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপারেশন থিয়েটার চালুর লক্ষ্যে আইসোফ্লোরেন চেম্বার উদ্বোধন করেন তিনি।

 

এ সময় পৌরসভার আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য। পরে উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মালেক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জুনায়েদ আব্দুল কাইয়ুম, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সারোয়ার আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এছাড়াও নালিতাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান লিটন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস আলী দেওয়ান,

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া ম্যাক্সিম,

শ্রমিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবিরসহ উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

×