| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

কুটনৈতিক আলোচনা

ট্রাম্প কি ইলন মাস্ককে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠাতে পারবেন

ট্রাম্প কি ইলন মাস্ককে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠাতে পারবেন

কয়েকদিন আগেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আতিথেয়তায় ছিলেন বিশ্বসেরা ধনকুবের টেসলা কর্তা ইলন মাস্ক। মার-এ-লাগোর রাজকীয় ডাইনিং টেবিলে বসে একসঙ্গে করেছেন নৈশভোজ।

আলোচনায় এসেছে রাজনীতি, অর্থনীতি থেকে শুরু করে পারিবারিক গল্পও। একসময় ট্রাম্পের ‘সরকারি ব্যয় হ্রাস’ অভিযানে মাস্ক ছিলেন ঘরের ছেলে। বিশ্বাসভাজন দক্ষতার দূত। ট্রাম্পের শীর্ষস্থানীয় উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন প্রায় ৪ মাস। অথচ হঠাৎ করেই বদলে গেল সম্পর্কের সমীকরণ।

গলায় গলায় বন্ধুত্ব ছেড়ে এবার সম্মুখ সমরে নেমেছেন তারা। ট্রাম্পের ‘বিগ বিউটিফুল বিল’ নিয়েই বেঁধেছে দ্বন্দ্ব।

ট্রাম্প বলছেন, এই বিল কর ও ব্যয় সংকোচন ও সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে দেশের আত্মনির্ভরতা গড়ে তুলবে। অন্যদিকে, মাস্ক বলছেন, এ বিল অর্থনীতির গায়ে নতুন ঋণের দাগ বসাতে চলেছে। মাস্ক শুধু সমালোচনাই করেননি বরং, সিনেটরদের ধমকি দিয়ে বলেছেন, এই বিল পাশ হলে পর দিনই তিনি গঠন করবেন নতুন রাজনৈতিক দল- ‘আমেরিকান পার্টি’। অর্থাৎ দিন শেষে, বন্ধু মাস্কই হয়ে উঠলেন বড় শত্রু।

ট্রাম্পও অবশ্য থেমে থাকেননি। কটাক্ষ করেন মাস্ককে বলেছেন, ‘ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি খাওয়া ব্যবসায়ী ইলন মাস্ক! তার পুরো ব্যবসা দাঁড়িয়ে আছে করদাতাদের পয়সায়। ভর্তুকি বন্ধ হলে ওকে টেসলা ফ্যাক্টরি নয়, লাগেজ গুছিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে যেতে হবে।’ বন্ধুত্ব থেকে শত্রুতার এই দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মার্কিন রাজনীতি।

এসব বিতর্কের মধ্যেই গত ১ জুলাই, মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত করার ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, ‘মাস্ককে হয়তো তার নিজের দেশে ফিরে যেতে হতে পারে।’ এই হুমকির পরই মাস্কের মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

মাস্ককে দেশছাড়া করা কি আদৌ সম্ভব?

ইলন মাস্কের জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকায় হলেও তিনি ২০০২ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি ১৭ বছর বয়সে কানাডায় পড়াশোনার জন্য যান এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও পদার্থবিদ্যায় ডিগ্রি অর্জন করেন। বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পেয়েছেন তিনি। পরে আইন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পান তিনি।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন আইনসিদ্ধ মার্কিন নাগরিককে দেশছাড়া করা প্রায় অসম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল। যুদ্ধাপরাধী বা নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেই কেবল এটা ঘটতে পারে। কিন্তু মাস্কের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা নাগরিকত্বের আবেদনে জালিয়াতির কোনো প্রমাণ নেই। তাই ট্রাম্পের এই হুমকিকে রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

ট্রাম্প ও মাস্কের এই বিরোধের সূত্রপাত হয় মে মাসে ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ থেকে পদত্যাগ করার পর। এরপর মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। বিতর্কিত ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ট্রাম্পের যোগাযোগের অভিযোগও তোলেন তিনি।

উল্লেখ্য, শিশুদের যৌন হয়রানির ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন জেফরি এপস্টেইন

সুফি কবি শেখ ফয়জুর রহমান’র একগুচ্ছ কবিতা

ট্রাম্প কি ইলন মাস্ককে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠাতে পারবেন

দিদার (دیدار)

 

মাশুকের সাদা আগুনে ভস্মীভূত

আমি এক কুরবানীর দুম্বা !

পুড়ে যাওয়ার যাতনা ভুলে

দিদারের পথ খুঁজি

 

অথচ আমার ক্লেদযুক্ত আত্মা

সম্মুখে দাঁড়ানোর জো নেই

তবুও আজন্মকালের আকাঙ্ক্ষা…

 

গোমরাহি

 

তুমি মৌচাক, তাই সবাই

মধু নিতে ছুটে এলো —

অথচ আমার ডালে রেখেছি তোমায় !

তুমি ভুলে গিয়ে আমার অস্তিত্ব-অনুরাগ

মিশে গেলে ভুল মজলিসে ।

 

এপিটাফ

 

নিবেদন রইলো —

জরাজীর্ণ এ গোরস্থানে

অবশিষ্ট দেহাবশেষ দেখে যেও

কৃপাদৃষ্টি উহ্য রেখেও নজর দিও

 

গোরের উপর লাল গোলাপের গাছ

পাঁচিলে খোদাই করা আধমরা কবিতা

সহজেই চিনে ফেলবে কটুরস অতীত !

 

বিয়োগী

 

হে বিরহ, তোমাকে সশ্রদ্ধ সালাম!

এমন গোপনে এসে ছুঁয়ে গেলে

সুখের ঘরের পর্দা!

হে দুঃখ, আমার আজন্ম সহোদর

ঘুরেফিরে ঘরে দেখি তুমি আপন ছায়া

 

আমি জল দেখে মরি

অথচ জলের প্রাণ আমার

আমি অনল দেখে পুড়ি

অথচ অনল পুষে হৃদয় ।

নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ

ট্রাম্প কি ইলন মাস্ককে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠাতে পারবেন

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাতা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাই পথে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছে ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের রামচন্দ্রকুড়ার বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে গোাপন সংবাদের ভিত্তিতে ওইসব ওষুধ জব্দ করেন তারা। এসময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।

 

ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের বিজিবি’র অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্ণেল মো. নুরুল আজীম বায়েজিদ সাংবাদিকদের জানান, জব্দকৃত ওষুধের সিজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। তিনি আরো জানান , ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় যে কোন ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত 

ট্রাম্প কি ইলন মাস্ককে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠাতে পারবেন

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার একমাত্র নেতা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন, বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

 

এসময় তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানী তেল, গ্যাসসহ নানা সংকটের সময়ে একটি গনতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। তাই এসব কিছুতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারন আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুতই এসবের সমাধান করবেন।

 

তিনি বলেন, ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশে আসবে বলে বিভিন্ন স্থানে গুজব ছড়ানোর হচ্ছে।পৃথিবীতে এমন কোন উদাহরন নেই যে, গণ-অভ্যুত্থানে পতিত সরকার পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরে আসতে পেরেছে।

 

মন্ত্রী মিল্লাত আরো বলেন, ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের এমন পতন হয়েছে যে তাদের দলের সর্বোচ্চ নেতাসহ সকল তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীও পালিয়েছে। তারা আবার দেশে চলে আসবে, তা কোনদিনই সম্ভব নয়।

 

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যানোদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেরপুর ২ আসনের (নকলা-নালিতাবাড়ী) সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর ৩ আসনের (শ্রীবরদি-ঝিনাইগাতী) সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার মো.একে এম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ, পাহাড়ে সরকারি গাছ কর্তৃন ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অপরাধ প্রবণতা এবং জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

×