| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

সুন্দরবন থেকে ২২টি হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার ও বন বিভাগ কর্তৃক পুড়িয়ে ফেলা

সুন্দরবন থেকে ২২টি হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার ও বন বিভাগ কর্তৃক পুড়িয়ে ফেলা

পূর্ব সুন্দরবনের ঢাংমারী স্টেশনের আওতাধীন ঘাগড়ামারী এলাকায় ২২টি হরিণ শিকারের (সিটকা) ফাঁদ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

অভিযানের সময় “প্যারালাল লাইন সার্চ” পদ্ধতিতে জঙ্গলে ফুট পেট্রোলিং চালানো হয়। এ সময় ঘাগড়ামারী খালের সাইট ও লক্ষ্মীখালী খালের পাশ থেকে ফাঁদগুলো উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে এ অভিযান পরিচালিত হয়। উদ্ধার করা ফাঁদগুলো পরবর্তীতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এটি ছিল নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ, যার মাধ্যমে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, “সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী রক্ষায় আমরা সবসময় সতর্ক আছি। ঘাগড়ামারী টহল ফাঁড়ির স্টাফরা যে সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা অন্যান্য টহল ফাঁড়িগুলোকেও একইভাবে নিয়মিত ফুট পেট্রোলিং চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সুফি কবি শেখ ফয়জুর রহমান’র একগুচ্ছ কবিতা

সুন্দরবন থেকে ২২টি হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার ও বন বিভাগ কর্তৃক পুড়িয়ে ফেলা

দিদার (دیدار)

 

মাশুকের সাদা আগুনে ভস্মীভূত

আমি এক কুরবানীর দুম্বা !

পুড়ে যাওয়ার যাতনা ভুলে

দিদারের পথ খুঁজি

 

অথচ আমার ক্লেদযুক্ত আত্মা

সম্মুখে দাঁড়ানোর জো নেই

তবুও আজন্মকালের আকাঙ্ক্ষা…

 

গোমরাহি

 

তুমি মৌচাক, তাই সবাই

মধু নিতে ছুটে এলো —

অথচ আমার ডালে রেখেছি তোমায় !

তুমি ভুলে গিয়ে আমার অস্তিত্ব-অনুরাগ

মিশে গেলে ভুল মজলিসে ।

 

এপিটাফ

 

নিবেদন রইলো —

জরাজীর্ণ এ গোরস্থানে

অবশিষ্ট দেহাবশেষ দেখে যেও

কৃপাদৃষ্টি উহ্য রেখেও নজর দিও

 

গোরের উপর লাল গোলাপের গাছ

পাঁচিলে খোদাই করা আধমরা কবিতা

সহজেই চিনে ফেলবে কটুরস অতীত !

 

বিয়োগী

 

হে বিরহ, তোমাকে সশ্রদ্ধ সালাম!

এমন গোপনে এসে ছুঁয়ে গেলে

সুখের ঘরের পর্দা!

হে দুঃখ, আমার আজন্ম সহোদর

ঘুরেফিরে ঘরে দেখি তুমি আপন ছায়া

 

আমি জল দেখে মরি

অথচ জলের প্রাণ আমার

আমি অনল দেখে পুড়ি

অথচ অনল পুষে হৃদয় ।

নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ

সুন্দরবন থেকে ২২টি হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার ও বন বিভাগ কর্তৃক পুড়িয়ে ফেলা

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাতা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাই পথে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছে ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের রামচন্দ্রকুড়ার বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে গোাপন সংবাদের ভিত্তিতে ওইসব ওষুধ জব্দ করেন তারা। এসময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।

 

ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের বিজিবি’র অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্ণেল মো. নুরুল আজীম বায়েজিদ সাংবাদিকদের জানান, জব্দকৃত ওষুধের সিজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। তিনি আরো জানান , ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় যে কোন ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত 

সুন্দরবন থেকে ২২টি হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার ও বন বিভাগ কর্তৃক পুড়িয়ে ফেলা

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার একমাত্র নেতা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন, বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

 

এসময় তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানী তেল, গ্যাসসহ নানা সংকটের সময়ে একটি গনতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। তাই এসব কিছুতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারন আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুতই এসবের সমাধান করবেন।

 

তিনি বলেন, ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশে আসবে বলে বিভিন্ন স্থানে গুজব ছড়ানোর হচ্ছে।পৃথিবীতে এমন কোন উদাহরন নেই যে, গণ-অভ্যুত্থানে পতিত সরকার পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরে আসতে পেরেছে।

 

মন্ত্রী মিল্লাত আরো বলেন, ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের এমন পতন হয়েছে যে তাদের দলের সর্বোচ্চ নেতাসহ সকল তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীও পালিয়েছে। তারা আবার দেশে চলে আসবে, তা কোনদিনই সম্ভব নয়।

 

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যানোদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেরপুর ২ আসনের (নকলা-নালিতাবাড়ী) সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর ৩ আসনের (শ্রীবরদি-ঝিনাইগাতী) সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার মো.একে এম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ, পাহাড়ে সরকারি গাছ কর্তৃন ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অপরাধ প্রবণতা এবং জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

×