| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা

ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর কলমি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা করেছে, পাষণ্ড ও লম্পট প্রেমিক এনায়েত হোসেন। যার কারনে বর্তমানে প্রেমিকার সুন্দর ও গুছানো জীবনটা বিপন্ন হওয়ার পথে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে । ভুক্তভোগী প্রেমিকার ভিডিও বক্তব্য ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, চর কলমি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সুলতান মিস্ত্রির ছেলে এনায়েত হোসেনের সাথে ভিকটিমের প্রায় ১০ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর প্রেমিক এনায়েত ভিকটিমকে বিয়ে করে সুখের সংসার বাঁধবে বলে বিভিন্ন আশা, ভরসা ও স্বপ্ন দেখায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে অতি বিশ্বাস করে তার সাথে সর্ব ধরনের যোগাযোগ রাখে। এক পর্যায়ে লম্পট প্রেমিক এনায়েত, সহজ সরল ভিকটিমকে বিভিন্ন কৌশলে আবদ্ধ ও জিম্মি করে একাধিকবার দৈহিক মিলন করে। একটা সময় এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে দ্রুত বিয়ে করার জন্য অনুরোধ জানায়। কিন্তু পাষণ্ড ও বিশ্বাসঘাতক প্রেমিক এনায়েত বিষয়টি এড়িয়ে যায় বারবার। এরপর ভিকটিম এনায়েতকে স্বামী হিসেবে পাবার জন্য, এলাকার গণ্যমান্যদের কাছে একাধিকবার দৌড়, ঝাপ করলেও কোন প্রকার সুফল মেলেনি তার ভাগ্যে। অন্যদিকে প্রেমিক এনায়েত ভিকটিমের সাথে পেছনের সকল স্মৃতি ভুলে গিয়ে, তার সাথে সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে অন্যত্র পালিয়ে যায়। এরপর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতকে কাছে পাবার জন্য, বিভিন্ন জায়গায় খুঁজতে খুঁজতে হয়ে পড়ে পরিশ্রান্ত এবং ক্লান্ত। সর্বশেষ ভিকটিম কোন উপায় অন্ত না দেখে গত ১৬ অক্টোবর প্রেমিকের বাড়িতে এসে অবস্থান নেই। এ খবর শুনেও ভিকটিমকে এক নজর দেখতে আসেনি পাষণ্ড ও প্রতারক প্রেমিক এনায়েত হোসেন। উল্লেখ্য, ওই বাড়িতে ভিকটিম অনাহারে, অর্ধাহারে একটানা ১৬দিন অবস্থান করে। সে বাড়িতে তার পেটে নিয়মিত ভাত না জুটলেও প্রেমিক এনায়েতের বাবা, মা, ভাই, বোনের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুনতে হয় তাকে। এরপরও প্রেমিকের ঘর ছাড়েনি হতভাগী অসহায় ভিকটিম। এমতাবস্থায় ভিকটিমকে ঘর ছাড়া করার জন্য প্রেমিক এনায়েতের পক্ষ থেকে চরফ্যাশন আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলায় মহামান্য আদালত ভিকটিমকে ঘর ছাড়ার আদেশ প্রদান করেণ। এ আদেশের প্রতি সম্মান রেখে গত ৩১ অক্টোবর ভিকটিম প্রেমিক এনায়েতের ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়। তবে স্বামী এনায়েতের দাবিতে, বর্তমানে ভোলা নারী শিশু আদালতে একটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভিকটিম। এ মামলায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, ভুক্তভোগী অসহায় ভিক্টিম।

সুফি কবি শেখ ফয়জুর রহমান’র একগুচ্ছ কবিতা

ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা

দিদার (دیدار)

 

মাশুকের সাদা আগুনে ভস্মীভূত

আমি এক কুরবানীর দুম্বা !

পুড়ে যাওয়ার যাতনা ভুলে

দিদারের পথ খুঁজি

 

অথচ আমার ক্লেদযুক্ত আত্মা

সম্মুখে দাঁড়ানোর জো নেই

তবুও আজন্মকালের আকাঙ্ক্ষা…

 

গোমরাহি

 

তুমি মৌচাক, তাই সবাই

মধু নিতে ছুটে এলো —

অথচ আমার ডালে রেখেছি তোমায় !

তুমি ভুলে গিয়ে আমার অস্তিত্ব-অনুরাগ

মিশে গেলে ভুল মজলিসে ।

 

এপিটাফ

 

নিবেদন রইলো —

জরাজীর্ণ এ গোরস্থানে

অবশিষ্ট দেহাবশেষ দেখে যেও

কৃপাদৃষ্টি উহ্য রেখেও নজর দিও

 

গোরের উপর লাল গোলাপের গাছ

পাঁচিলে খোদাই করা আধমরা কবিতা

সহজেই চিনে ফেলবে কটুরস অতীত !

 

বিয়োগী

 

হে বিরহ, তোমাকে সশ্রদ্ধ সালাম!

এমন গোপনে এসে ছুঁয়ে গেলে

সুখের ঘরের পর্দা!

হে দুঃখ, আমার আজন্ম সহোদর

ঘুরেফিরে ঘরে দেখি তুমি আপন ছায়া

 

আমি জল দেখে মরি

অথচ জলের প্রাণ আমার

আমি অনল দেখে পুড়ি

অথচ অনল পুষে হৃদয় ।

নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ

ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাতা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাই পথে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছে ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের রামচন্দ্রকুড়ার বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে গোাপন সংবাদের ভিত্তিতে ওইসব ওষুধ জব্দ করেন তারা। এসময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।

 

ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের বিজিবি’র অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্ণেল মো. নুরুল আজীম বায়েজিদ সাংবাদিকদের জানান, জব্দকৃত ওষুধের সিজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। তিনি আরো জানান , ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় যে কোন ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত 

ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রতারণা

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার একমাত্র নেতা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন, বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

 

এসময় তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানী তেল, গ্যাসসহ নানা সংকটের সময়ে একটি গনতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। তাই এসব কিছুতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারন আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুতই এসবের সমাধান করবেন।

 

তিনি বলেন, ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশে আসবে বলে বিভিন্ন স্থানে গুজব ছড়ানোর হচ্ছে।পৃথিবীতে এমন কোন উদাহরন নেই যে, গণ-অভ্যুত্থানে পতিত সরকার পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরে আসতে পেরেছে।

 

মন্ত্রী মিল্লাত আরো বলেন, ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের এমন পতন হয়েছে যে তাদের দলের সর্বোচ্চ নেতাসহ সকল তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীও পালিয়েছে। তারা আবার দেশে চলে আসবে, তা কোনদিনই সম্ভব নয়।

 

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যানোদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেরপুর ২ আসনের (নকলা-নালিতাবাড়ী) সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর ৩ আসনের (শ্রীবরদি-ঝিনাইগাতী) সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার মো.একে এম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ, পাহাড়ে সরকারি গাছ কর্তৃন ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অপরাধ প্রবণতা এবং জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

×