| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল: আবু সাঈদের বাবা

এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল: আবু সাঈদের বাবা

প্রিন্ট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১১ পিএম

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম

জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার মা-বাবা ও স্বজনরা। তার বাবা মকবুল হোসেন বলেছেন, বিচারে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীদের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। তো অনেক আসামি তো ছাড়ে-আড়ে গেছে, যারা অপরাধী। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। কড়াভাবে সাজা দেওয়া উচিত ছিল।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

আবু সাঈদের বাবা বলেন, মাত্র দু'জন আসামিকে ফাঁসি দিয়ে মূল দোষী ও হত্যার নেপথ্যে পরিকল্পনাকারী এবং নির্দেশ দাতাদের সামান্য শাস্তি দেয়া হয়েছে। আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদের সাথে সবচেয়ে বেশি খারাপ আচরণ করেছে এবং হত্যার পেছনে জড়িত। তাকে মাত্র ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুজ্জামান , সাবেক পুলিশ পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন ও এসআই বিভূতি ভূষণ রায়।

বাকি সাজা প্রাপ্তরা হলেন, বেরোবির শিক্ষক মশিউর রহমান ও শিক্ষক আসাদুজ্জামান মন্ডল, বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদ ও রংপুরের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামানের ১০ বছরের কারাদণ্ড। আর ডা. সারোয়াত হোসেন, সাবেক এডিসি আবু মারুফ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদণ্ড।

অন্যদিকে, বেরোবি ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান শামীম, সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বী, সহ-সভাপতি আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার ও দফতর সম্পাদক বাবুল হোসেনকে ৩ বছরের কারাদণ্ড।

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম

জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার মা-বাবা ও স্বজনরা। তার বাবা মকবুল হোসেন বলেছেন, বিচারে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীদের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। তো অনেক আসামি তো ছাড়ে-আড়ে গেছে, যারা অপরাধী। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। কড়াভাবে সাজা দেওয়া উচিত ছিল।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

আবু সাঈদের বাবা বলেন, মাত্র দু'জন আসামিকে ফাঁসি দিয়ে মূল দোষী ও হত্যার নেপথ্যে পরিকল্পনাকারী এবং নির্দেশ দাতাদের সামান্য শাস্তি দেয়া হয়েছে। আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদের সাথে সবচেয়ে বেশি খারাপ আচরণ করেছে এবং হত্যার পেছনে জড়িত। তাকে মাত্র ১০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুজ্জামান , সাবেক পুলিশ পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন ও এসআই বিভূতি ভূষণ রায়।

বাকি সাজা প্রাপ্তরা হলেন, বেরোবির শিক্ষক মশিউর রহমান ও শিক্ষক আসাদুজ্জামান মন্ডল, বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদ ও রংপুরের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামানের ১০ বছরের কারাদণ্ড। আর ডা. সারোয়াত হোসেন, সাবেক এডিসি আবু মারুফ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদণ্ড।

অন্যদিকে, বেরোবি ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান শামীম, সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বী, সহ-সভাপতি আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার ও দফতর সম্পাদক বাবুল হোসেনকে ৩ বছরের কারাদণ্ড।

রিপোর্টার: অনলাইন ডেস্ক

সুফি কবি শেখ ফয়জুর রহমান’র একগুচ্ছ কবিতা

এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল: আবু সাঈদের বাবা

দিদার (دیدار)

 

মাশুকের সাদা আগুনে ভস্মীভূত

আমি এক কুরবানীর দুম্বা !

পুড়ে যাওয়ার যাতনা ভুলে

দিদারের পথ খুঁজি

 

অথচ আমার ক্লেদযুক্ত আত্মা

সম্মুখে দাঁড়ানোর জো নেই

তবুও আজন্মকালের আকাঙ্ক্ষা…

 

গোমরাহি

 

তুমি মৌচাক, তাই সবাই

মধু নিতে ছুটে এলো —

অথচ আমার ডালে রেখেছি তোমায় !

তুমি ভুলে গিয়ে আমার অস্তিত্ব-অনুরাগ

মিশে গেলে ভুল মজলিসে ।

 

এপিটাফ

 

নিবেদন রইলো —

জরাজীর্ণ এ গোরস্থানে

অবশিষ্ট দেহাবশেষ দেখে যেও

কৃপাদৃষ্টি উহ্য রেখেও নজর দিও

 

গোরের উপর লাল গোলাপের গাছ

পাঁচিলে খোদাই করা আধমরা কবিতা

সহজেই চিনে ফেলবে কটুরস অতীত !

 

বিয়োগী

 

হে বিরহ, তোমাকে সশ্রদ্ধ সালাম!

এমন গোপনে এসে ছুঁয়ে গেলে

সুখের ঘরের পর্দা!

হে দুঃখ, আমার আজন্ম সহোদর

ঘুরেফিরে ঘরে দেখি তুমি আপন ছায়া

 

আমি জল দেখে মরি

অথচ জলের প্রাণ আমার

আমি অনল দেখে পুড়ি

অথচ অনল পুষে হৃদয় ।

নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ

এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল: আবু সাঈদের বাবা

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাতা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাই পথে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছে ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের রামচন্দ্রকুড়ার বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে গোাপন সংবাদের ভিত্তিতে ওইসব ওষুধ জব্দ করেন তারা। এসময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।

 

ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের বিজিবি’র অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্ণেল মো. নুরুল আজীম বায়েজিদ সাংবাদিকদের জানান, জব্দকৃত ওষুধের সিজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। তিনি আরো জানান , ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় যে কোন ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত 

এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই, আরও অনেকের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল: আবু সাঈদের বাবা

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার একমাত্র নেতা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন, বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

 

এসময় তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানী তেল, গ্যাসসহ নানা সংকটের সময়ে একটি গনতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। তাই এসব কিছুতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারন আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুতই এসবের সমাধান করবেন।

 

তিনি বলেন, ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশে আসবে বলে বিভিন্ন স্থানে গুজব ছড়ানোর হচ্ছে।পৃথিবীতে এমন কোন উদাহরন নেই যে, গণ-অভ্যুত্থানে পতিত সরকার পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরে আসতে পেরেছে।

 

মন্ত্রী মিল্লাত আরো বলেন, ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের এমন পতন হয়েছে যে তাদের দলের সর্বোচ্চ নেতাসহ সকল তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীও পালিয়েছে। তারা আবার দেশে চলে আসবে, তা কোনদিনই সম্ভব নয়।

 

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যানোদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেরপুর ২ আসনের (নকলা-নালিতাবাড়ী) সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর ৩ আসনের (শ্রীবরদি-ঝিনাইগাতী) সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার মো.একে এম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ, পাহাড়ে সরকারি গাছ কর্তৃন ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অপরাধ প্রবণতা এবং জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

×