| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

সীমান্তবর্তী শ্রীবরদীতে কলা চাষে বিপ্লব 

সীমান্তবর্তী শ্রীবরদীতে কলা চাষে বিপ্লব 

শেরপুরের সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী উপজেলায় কলা চাষে বিপ্লব ঘটেছে ! কলা চাষে উৎপাদন খরচ কম,অল্প পরিশ্রম ও বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণে ধান চাষ বাদ দিয়ে কলা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে স্থানীয় কৃষকেরা। কারণ কলা চাষে স্বল্প সময়ে বেশি আয় করা সম্ভব।

 

স্থানীয় কলা চাষীরা বলেন, ‘একটি কলা গাছ থেকে একবার ফল সংগ্রহ করার পর সেই গাছের পাশ থেকে নতুন কুড়ি জন্মায়, যা ভবিষ্যতে কলা গাছের চারা হিসাবে ব্যবহার করা যায়। এসব কলার চারা প্রতিটি ৭ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি করে অতিরিক্ত আয় হয়।

 

কলা আবাদের সাথে সাথে অনান্য শাক-সবজি একই বাগানে চাষ করার সুবিধা থাকার কারণে দুই দিক থেকে লভ্যাংশ পাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। শ্রীবরদী উপজেলার আবহাওয়া ও মাটি কলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী থাকার কারণে অল্প খরচে অধিক মুনাফা লাভ হয়, অনান্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে পোকা মাকড় ও ছত্রাক এর আক্রমন কম থাকার কারণে কৃষক আগ্রহ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

 

সরেজমিনে দেখা যায় শ্রীবরদী উপজেলার আবুয়ারপাড়া,কলাকান্দা, বিলভরট, রানীশিমূল, লঙ্গরপাড়া, গড়পাড়া, ভেলুয়া, মাদারপুর, পোড়াগর,দহেরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় উন্নত জাতের কলা চাষ হচ্ছে, যেমন সাগর কলা এবং সবরি কলা। চারিদিকে তাকালে কলা গাছ ছাড়া অন্য কোন ফসল চোখে পড়ে না। কৃষি বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা পেয়ে কৃষকরা ফলনের পরিমাণ অধিক হাড়ে বেড়ে গেছে। পাশাপাশি জৈব সার ও সঠিক সেচ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফলের গুণগত মান ঠিক থাকছে।

 

শ্রীবরদী উপজেলার উৎপাদিত কলা স্থানীয় বাজার ছাড়াও ঢাকার পাইকারি বাজার এবং অন্যান্য শহরে কলা সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন।

 

আবুয়ারপাড়া কৃষক আব্বাস আলীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এক বিঘা জমিতে কলা চাষ করে বছরে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়, আমি ১ একর জমিতে কলা চাষ করেছি। এতে ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হবে। খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৩ লাখ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লাভ হবে। এর পাশাপাশি বাড়তি ফুলকপি সবজি চাষ করেছি। ” ধান চাষে খরচ বেশি, লাভ কম তাই আমরা এলাকার চাষীরা কলা চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছি। ”

 

আরেক কৃষক ফজল মিয়া বলেন, আগে শ্রীবরদী এলাকার এসব জমিতে শুধু ধান চাষ করা হত, এখন বেশি লাভ হওয়ায় সবাই কলা চাষ করছেন। ”

 

শ্রীবরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: মাহমুদুল হাসান আকন্দের সাথে কথা বললে তিনি বলেন , এ পর্যন্ত উপজেলায় ৭৩০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ করা হয়েছে। আশাবাদী যেভাবে কলার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে অচিরেই ১০০০ হেক্টর পেরিয়ে যাবে৷ কলা চাষে অল্প পরিশ্রম ও বেশি লাভের কারণে চাষীরা কলা চাষে ঝুঁকছেন। আমাদের কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষক দের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং বাগান পরিদর্শন করে কৃষকদের সুপরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষকদের যেকোন সমস্যা সমাধানে হলে আমরা তাৎক্ষনিক তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।”

সুফি কবি শেখ ফয়জুর রহমান’র একগুচ্ছ কবিতা

সীমান্তবর্তী শ্রীবরদীতে কলা চাষে বিপ্লব 

দিদার (دیدار)

 

মাশুকের সাদা আগুনে ভস্মীভূত

আমি এক কুরবানীর দুম্বা !

পুড়ে যাওয়ার যাতনা ভুলে

দিদারের পথ খুঁজি

 

অথচ আমার ক্লেদযুক্ত আত্মা

সম্মুখে দাঁড়ানোর জো নেই

তবুও আজন্মকালের আকাঙ্ক্ষা…

 

গোমরাহি

 

তুমি মৌচাক, তাই সবাই

মধু নিতে ছুটে এলো —

অথচ আমার ডালে রেখেছি তোমায় !

তুমি ভুলে গিয়ে আমার অস্তিত্ব-অনুরাগ

মিশে গেলে ভুল মজলিসে ।

 

এপিটাফ

 

নিবেদন রইলো —

জরাজীর্ণ এ গোরস্থানে

অবশিষ্ট দেহাবশেষ দেখে যেও

কৃপাদৃষ্টি উহ্য রেখেও নজর দিও

 

গোরের উপর লাল গোলাপের গাছ

পাঁচিলে খোদাই করা আধমরা কবিতা

সহজেই চিনে ফেলবে কটুরস অতীত !

 

বিয়োগী

 

হে বিরহ, তোমাকে সশ্রদ্ধ সালাম!

এমন গোপনে এসে ছুঁয়ে গেলে

সুখের ঘরের পর্দা!

হে দুঃখ, আমার আজন্ম সহোদর

ঘুরেফিরে ঘরে দেখি তুমি আপন ছায়া

 

আমি জল দেখে মরি

অথচ জলের প্রাণ আমার

আমি অনল দেখে পুড়ি

অথচ অনল পুষে হৃদয় ।

নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ

সীমান্তবর্তী শ্রীবরদীতে কলা চাষে বিপ্লব 

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাতা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাই পথে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছে ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের রামচন্দ্রকুড়ার বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে গোাপন সংবাদের ভিত্তিতে ওইসব ওষুধ জব্দ করেন তারা। এসময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।

 

ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের বিজিবি’র অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্ণেল মো. নুরুল আজীম বায়েজিদ সাংবাদিকদের জানান, জব্দকৃত ওষুধের সিজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। তিনি আরো জানান , ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় যে কোন ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত 

সীমান্তবর্তী শ্রীবরদীতে কলা চাষে বিপ্লব 

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার একমাত্র নেতা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন, বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

 

এসময় তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানী তেল, গ্যাসসহ নানা সংকটের সময়ে একটি গনতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। তাই এসব কিছুতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারন আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুতই এসবের সমাধান করবেন।

 

তিনি বলেন, ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশে আসবে বলে বিভিন্ন স্থানে গুজব ছড়ানোর হচ্ছে।পৃথিবীতে এমন কোন উদাহরন নেই যে, গণ-অভ্যুত্থানে পতিত সরকার পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরে আসতে পেরেছে।

 

মন্ত্রী মিল্লাত আরো বলেন, ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের এমন পতন হয়েছে যে তাদের দলের সর্বোচ্চ নেতাসহ সকল তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীও পালিয়েছে। তারা আবার দেশে চলে আসবে, তা কোনদিনই সম্ভব নয়।

 

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যানোদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেরপুর ২ আসনের (নকলা-নালিতাবাড়ী) সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর ৩ আসনের (শ্রীবরদি-ঝিনাইগাতী) সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার মো.একে এম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ, পাহাড়ে সরকারি গাছ কর্তৃন ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অপরাধ প্রবণতা এবং জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

×