শুভ জন্মদিন কবি ও সাংবাদিক হাসান ফখরুল
কবি ও সাংবাদিক হাসান ফখরুল ৪ই মার্চ ১৯৯৭ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা হেলাল উদ্দিন ও মাতা ফুলজান বেগমের বড় সন্তান তিনি। হাসান ফখরুল স্থানীয় শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও পরে ফুলবাড়ীয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী শেষ করেন। তিনি সাংবাদিকতাকে আঁকড়ে ধরে যুক্ত আছেন স্থানীয় উপজেলায় অবস্থিত; ফুলবাড়ীয়া প্রেসক্লাবের সক্রিয় সদস্য হিসেবে।
তিনি সামাজিক বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ অবদান রাখেন। সামাজিক অবকাঠামো সুরক্ষায় বাধাগ্রস্ত করে, এমন; পরিবেশ নষ্টকারী ইটভাটা, মদ, জুয়া, দেহব্যবসার বিরুদ্ধে কলম চালান অনবরত।
কবি ছোট বেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি বেশ ঝুকে ছিলেন। তার লেখালেখিতে অনুপ্রেরণা জোগায় কবি ফররুখ আহমদ, আল মাহমুদ, কবি নজরুল ও সুকান্ত ভট্টাচার্যের গভীর লেখনী। ১৯৭১ এর পটভূমিতে তার প্রথম কবিতা “সংগ্রাম” বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এর পর একাধারে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন পত্রিকা ও জাতীয় ম্যাগাজিনে কবির ছড়া ও কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে।
প্রথমে স্থানীয় অনলাইন ও পরে কবি দ্বীন মোহাম্মদ দুখু’র হাত ধরে জাতীয় দৈনিকে পা রাখেন। কবি নুরুল হুদা রনো সম্পাদিত জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকায় কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিকের পাশাপাশি কবি শেখ ফয়জুর রহমান সম্পাদিত অনলাইন দৈনিক জামানা’য় সাংবাদিকতা করছেন।
সিলেটের কবি কবির মাহমুদ ও আরও বেশ কয়েকজন কবি, ছড়াকারদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিয়মিত প্রকাশ করেন, শিশু কিশোর মাসিক ম্যাগাজিন “রক্তজবা”। মাসিক ম্যাগাজিন রক্তজবা প্রকাশকালে ভারতের বহু লেখক, কবি সাহিত্যিকের সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সহ ভারতেও কবির পরিচিতি ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। কবি তার কবিতায় প্রেম, বিরহ ও প্রকৃতির প্রতি মায়ার এক বিস্তৃত জালে বিস্তার ঘটিয়েছেন।
কবি তার ফাল্গুনী প্রেম কবিতায় প্রেমে পুড়ে আহত মনে লিখেছেন-
❝এই ফাগুনে প্রেম আগুনে, কবি পুরে ছার৷
হারানো সেই প্রেমের স্মৃতি, চোখে ভাসে তাঁর❞।
অন্য আরেক কবিতায় কবি মায়ের প্রতি নিদারুণ ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে গিয়ে লিখেছেন-
❝মায়ের স্মৃতি ভুলে যাব, কেমন করে আমি।
মা যে আমার ত্রিভুবনে, সবার চেয়ে দামি❞।

| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


















