কবি ও গবেষক এনাম আনন্দের জন্মদিন
কবি এনাম আনন্দ ১৯৮৫ সালের, ১০ মার্চ কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত হোমনা উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- আব্দুল হাই (বারিক মাস্টার) ছিলেন স্কুল শিক্ষক। মা’খোদেজা বেগম গৃহিণী। পাঁচ ভাই তিন বোনের মধ্যে এনাম আনন্দ অবস্থান ষষ্ঠ। তিনি এমবিএ (মার্কেটিং) পড়াশোনা শেষ করে একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।
স্ত্রী রায়হানা জান্নাত, প্রভাষক, বিসিএস (শিক্ষা) সরকারি কলেজে কর্মরত। বর্তমানে পরিবার নিয়ে ঢাকার মিরপুরে বসবাস করছেন। শত ব্যস্ততার পরেও নিয়মিত করছেন সাহিত্য চর্চা তার লেখার উপজীব্য বিষয় হলো কবিতা ও শিশুসাহিত্য। তিনি দৈনিকগুলোতে নিয়োমিত লেখালেখি করেন। তাঁর ছড়ায় খুঁজে পাওয়া যায় শিশুদের মনোরঞ্জনের রসদ, শিশুতোষ গল্পগুলো থাকে রহস্যঘেরা। কবি ও গবেষক এনাম আনন্দ দ্বিতীয় দশকের লেখকদের মধ্যে অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এই কবি ও গবেষককে দশকের ফ্রেমে বাধা যায় না। কবি এনাম আনন্দের কবিতা ও প্রবন্ধের কিছু উক্তি সময়ের সাথে হয়তো কালজয়ী হয়ে থাকবে।
কবি লিখেছেন-
যে রাতের আধারকে বালিশ বানিয়ে ঘুমায় তার সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণে কী আসে যায়?
যে হাত পেতে খাওয়া শিখে গেছে
তাকে নিরবে সহ্য করতে হয় না ক্ষুধার যন্ত্রণা।
কবি নিয়মিত ছড়া, কবিতা, রম্যরচনা, শিশুতোষ গল্প, ছোটগল্প, নিবন্ধন ও প্রবন্ধ লিখছেন।
লেখালেখির প্রেরণা হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন: দৈনিক মানব বার্তা সম্মাননা।
দৈনিক মুন্সিগঞ্জের খবর সাহিত্য পাতা সম্মাননা।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সম্মাননা।

| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬















