| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টার এখন মাদক সেবনের নিরাপদ আস্তানা

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টার এখন মাদক সেবনের নিরাপদ আস্তানা

শেরপুর সদর উপজেলার অন্তর্গত বাজিতখিলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টার এখন মাদক সেবনের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৮০ দশকের গোড়ার দিকে তৎকালীন সরকার বাজিতখিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের জনসাধারনকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য এটি নির্মাণ করে। তখন থেকেই এই কেন্দ্রের কর্তব্যরত উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও অন্যান্য কর্মচারীরা কোয়ার্টার এ অবস্থান করে রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করতো। কিন্তু দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় এটি এখন ভগ্নপ্রায় দশায় পরিত্যক্ত অবস্থায় মাদক সেবম ও অনৈতিক কাজের আখড়ায় পরিনত হয়েছে। ফলে বাজিতখিলা ও সুলতাপুর সহ আশেপাশের এলাকার উঠতি বয়সের যুবকেরা মাদক সেবনের নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছে এ স্টাফ কোয়ার্টার টি কে।

সরেজমিনে দেখা যায় ভবনটির বিভিন্ন কক্ষে মাদক সেবনের সময় ব্যবহৃত সরঞ্জামের উচ্ছিষ্টাংশ স্তুপাকারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তাতে সহজেই অনুমেয় কি পরিমাণ মাদক এখানে সেবন করা হয়।

 

স্থানীয় বাসিন্দা, ফখরুল ইসলাম লিচু বলেন,এটি এখন মাদকের নিরাপদ কারখানা। শুনেছি উঠতি বয়সের তরুণ পোলাপান ওই বিল্ডিং এ নিয়মিত মাদক খায়। এছাড়া এখানে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপও হয়। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি এটি দ্রুত সংস্কার বা নির্মাণ করা হোক। ”

 

আরেক বাসিন্দা শিবলু মিয়া বলেন, এখানে আগে ডাক্তার থাকতো। এখন কোয়ার্টারে ডাক্তার থাকে না। আমাদের খুব সমস্যা হয়। মহিলাদের ব্যথা বা অন্য কোন রোগে আমাদের সদর হাসপাতালে যেতে হয়।

 

বাজিতখিলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের দায়িত্বরত উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সামিদুল ইসলাম বলেন, “এই কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টারটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকার কারণে এটি বসবাসের উপযোগী না।এছাড়া এখানে কোন বাউন্ডারি ওয়াল নাই। ফলে পরিত্যক্ত ভবনে স্থানীয় উঠতি বয়সের তরুণরা মাদক সেবন করে এবং শুনেছি রাতে অসামাজিক কার্যকলাপও হয়। এখন এটি পুননির্মাণ করা হলে আমরা এখানে অবস্থান করে সেবা দিতে পারতাম। ফলে স্থানীয় মানুষ জন উপকৃত হত। ”

 

এবিষয়ে জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাম এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন,” বাজিতখিলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কোয়ার্টার পুননির্মাণের জন্য লিখিত ভাবে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে স্টাফ কোয়ার্টার টি নতুন করে নির্মাণ সহ নিরাপত্তা দেওয়াল ও তৈরী করা হবে। আর এটি নির্মিত হলে সেখানে মাদক সেবনের ঘটনা বন্ধ হয়ে যাবে। ”

 

সুফি কবি শেখ ফয়জুর রহমান’র একগুচ্ছ কবিতা

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টার এখন মাদক সেবনের নিরাপদ আস্তানা

দিদার (دیدار)

 

মাশুকের সাদা আগুনে ভস্মীভূত

আমি এক কুরবানীর দুম্বা !

পুড়ে যাওয়ার যাতনা ভুলে

দিদারের পথ খুঁজি

 

অথচ আমার ক্লেদযুক্ত আত্মা

সম্মুখে দাঁড়ানোর জো নেই

তবুও আজন্মকালের আকাঙ্ক্ষা…

 

গোমরাহি

 

তুমি মৌচাক, তাই সবাই

মধু নিতে ছুটে এলো —

অথচ আমার ডালে রেখেছি তোমায় !

তুমি ভুলে গিয়ে আমার অস্তিত্ব-অনুরাগ

মিশে গেলে ভুল মজলিসে ।

 

এপিটাফ

 

নিবেদন রইলো —

জরাজীর্ণ এ গোরস্থানে

অবশিষ্ট দেহাবশেষ দেখে যেও

কৃপাদৃষ্টি উহ্য রেখেও নজর দিও

 

গোরের উপর লাল গোলাপের গাছ

পাঁচিলে খোদাই করা আধমরা কবিতা

সহজেই চিনে ফেলবে কটুরস অতীত !

 

বিয়োগী

 

হে বিরহ, তোমাকে সশ্রদ্ধ সালাম!

এমন গোপনে এসে ছুঁয়ে গেলে

সুখের ঘরের পর্দা!

হে দুঃখ, আমার আজন্ম সহোদর

ঘুরেফিরে ঘরে দেখি তুমি আপন ছায়া

 

আমি জল দেখে মরি

অথচ জলের প্রাণ আমার

আমি অনল দেখে পুড়ি

অথচ অনল পুষে হৃদয় ।

নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টার এখন মাদক সেবনের নিরাপদ আস্তানা

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাতা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাই পথে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছে ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের রামচন্দ্রকুড়ার বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে গোাপন সংবাদের ভিত্তিতে ওইসব ওষুধ জব্দ করেন তারা। এসময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।

 

ময়মনসিংহের ৩৯ ব্যাটালিয়নের বিজিবি’র অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্ণেল মো. নুরুল আজীম বায়েজিদ সাংবাদিকদের জানান, জব্দকৃত ওষুধের সিজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। তিনি আরো জানান , ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্ত এলাকায় যে কোন ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত 

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টার এখন মাদক সেবনের নিরাপদ আস্তানা

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার একমাত্র নেতা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন, বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

 

এসময় তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানী তেল, গ্যাসসহ নানা সংকটের সময়ে একটি গনতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। তাই এসব কিছুতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারন আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুতই এসবের সমাধান করবেন।

 

তিনি বলেন, ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশে আসবে বলে বিভিন্ন স্থানে গুজব ছড়ানোর হচ্ছে।পৃথিবীতে এমন কোন উদাহরন নেই যে, গণ-অভ্যুত্থানে পতিত সরকার পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরে আসতে পেরেছে।

 

মন্ত্রী মিল্লাত আরো বলেন, ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের এমন পতন হয়েছে যে তাদের দলের সর্বোচ্চ নেতাসহ সকল তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীও পালিয়েছে। তারা আবার দেশে চলে আসবে, তা কোনদিনই সম্ভব নয়।

 

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যানোদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেরপুর ২ আসনের (নকলা-নালিতাবাড়ী) সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর ৩ আসনের (শ্রীবরদি-ঝিনাইগাতী) সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার মো.একে এম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ, পাহাড়ে সরকারি গাছ কর্তৃন ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অপরাধ প্রবণতা এবং জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

×